লিবিয়ার আল–খুমস উপকূলে দুটি নৌকা ডুবে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু, ২৬ জন ছিলেন প্রথম নৌকায়।
লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি:বাংলাদেশিসহ দুই নৌকায় অন্তত চারজনের মৃত্যু
- আপডেট সময় : ১১:৪৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

লিবিয়া উপকূলে অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। লিবীয় রেড ক্রিসেন্টের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপকূলীয় শহর আল–খুমসের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে সবাই প্রথম নৌকার আরোহী এবং তাঁরা বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অভিবাসী।
সংস্থাটির বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রথম নৌকাটিতে মোট ২৬ বাংলাদেশি ছিলেন। এদের মধ্যে চারজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকি যাত্রীদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় নৌকাটিতে ৬৯ জন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দুজন মিসরীয় এবং বেশ কয়েকজন সুদানি নাগরিক ছিলেন। তাঁদের সঠিক অবস্থা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। ওই নৌকায় আটটি শিশুও ছিল বলে জানায় রেড ক্রিসেন্ট।
লিবীয় রেড ক্রিসেন্টের প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের স্বেচ্ছাসেবকেরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং প্লাস্টিক ব্যাগে মোড়ানো মরদেহগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজে লিবিয়া উপকূলরক্ষী বাহিনী ও আল–খুমস পোর্ট সিকিউরিটি এজেন্সি অংশ নেয়।
২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া ইউরোপমুখী অভিবাসীদের প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়। দারিদ্র্য, সংঘাত ও অনিশ্চিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশটির ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে এসব নৌকাডুবির ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) সম্প্রতি জানিয়েছে, আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে আরেকটি রাবারের নৌকা ডুবে কমপক্ষে ৪২ জন অভিবাসী নিখোঁজ হন। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁরা মারা গেছেন। গত অক্টোবরেও ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গত সপ্তাহে জাতিসংঘের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্য, স্পেন, নরওয়ে ও সিয়েরা লিয়নসহ কয়েকটি দেশ লিবিয়াকে অবৈধ আটককেন্দ্রগুলো বন্ধ করার আহ্বান জানায়, যেখানে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী অভিবাসীদের নির্যাতন, হামলা ও হত্যার শিকার হতে হয়।






















