চট্টগ্রাম ০৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
নান্দাইলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি নেত্রকোণায় জমি বিরোধে হামলা-হুমকি, নষ্ট করা হলো আমনের চারা শিবচরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি, উঠল ঐক্যের ডাক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কটিয়াদীতে দুই দফায় র‌্যালি-সমাবেশ কুসরকের নতুন কমিটি প্রকাশ, নেতৃত্বে নাহিদ-জাকারিয়া ওষুধে মেয়াদ শেষ, খাবার তৈরিতে অনিয়ম; খুলনায় বড় অঙ্কের জরিমানা নাগেশ্বরীতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার নানা আয়োজনে হরিরামপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ৭ হাজার একর জমিতে আখ রোপণের লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে কার্যক্রম শুরু বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিক্সসহ ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

লিবিয়ার আল–খুমস উপকূলে দুটি নৌকা ডুবে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু, ২৬ জন ছিলেন প্রথম নৌকায়।

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি:বাংলাদেশিসহ দুই নৌকায় অন্তত চারজনের মৃত্যু

সারাদেশ৭১ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫ ৫৬ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লিবিয়া উপকূলে অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। লিবীয় রেড ক্রিসেন্টের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপকূলীয় শহর আল–খুমসের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে সবাই প্রথম নৌকার আরোহী এবং তাঁরা বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অভিবাসী।

সংস্থাটির বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রথম নৌকাটিতে মোট ২৬ বাংলাদেশি ছিলেন। এদের মধ্যে চারজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকি যাত্রীদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় নৌকাটিতে ৬৯ জন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দুজন মিসরীয় এবং বেশ কয়েকজন সুদানি নাগরিক ছিলেন। তাঁদের সঠিক অবস্থা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। ওই নৌকায় আটটি শিশুও ছিল বলে জানায় রেড ক্রিসেন্ট।

লিবীয় রেড ক্রিসেন্টের প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের স্বেচ্ছাসেবকেরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং প্লাস্টিক ব্যাগে মোড়ানো মরদেহগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজে লিবিয়া উপকূলরক্ষী বাহিনী ও আল–খুমস পোর্ট সিকিউরিটি এজেন্সি অংশ নেয়।

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া ইউরোপমুখী অভিবাসীদের প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়। দারিদ্র্য, সংঘাত ও অনিশ্চিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশটির ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে এসব নৌকাডুবির ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) সম্প্রতি জানিয়েছে, আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে আরেকটি রাবারের নৌকা ডুবে কমপক্ষে ৪২ জন অভিবাসী নিখোঁজ হন। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁরা মারা গেছেন। গত অক্টোবরেও ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্য, স্পেন, নরওয়ে ও সিয়েরা লিয়নসহ কয়েকটি দেশ লিবিয়াকে অবৈধ আটককেন্দ্রগুলো বন্ধ করার আহ্বান জানায়, যেখানে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী অভিবাসীদের নির্যাতন, হামলা ও হত্যার শিকার হতে হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লিবিয়ার আল–খুমস উপকূলে দুটি নৌকা ডুবে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু, ২৬ জন ছিলেন প্রথম নৌকায়।

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি:বাংলাদেশিসহ দুই নৌকায় অন্তত চারজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:৪৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

লিবিয়া উপকূলে অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। লিবীয় রেড ক্রিসেন্টের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপকূলীয় শহর আল–খুমসের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে সবাই প্রথম নৌকার আরোহী এবং তাঁরা বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অভিবাসী।

সংস্থাটির বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রথম নৌকাটিতে মোট ২৬ বাংলাদেশি ছিলেন। এদের মধ্যে চারজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকি যাত্রীদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় নৌকাটিতে ৬৯ জন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দুজন মিসরীয় এবং বেশ কয়েকজন সুদানি নাগরিক ছিলেন। তাঁদের সঠিক অবস্থা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। ওই নৌকায় আটটি শিশুও ছিল বলে জানায় রেড ক্রিসেন্ট।

লিবীয় রেড ক্রিসেন্টের প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের স্বেচ্ছাসেবকেরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং প্লাস্টিক ব্যাগে মোড়ানো মরদেহগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজে লিবিয়া উপকূলরক্ষী বাহিনী ও আল–খুমস পোর্ট সিকিউরিটি এজেন্সি অংশ নেয়।

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া ইউরোপমুখী অভিবাসীদের প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়। দারিদ্র্য, সংঘাত ও অনিশ্চিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশটির ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে এসব নৌকাডুবির ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) সম্প্রতি জানিয়েছে, আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে আরেকটি রাবারের নৌকা ডুবে কমপক্ষে ৪২ জন অভিবাসী নিখোঁজ হন। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁরা মারা গেছেন। গত অক্টোবরেও ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্য, স্পেন, নরওয়ে ও সিয়েরা লিয়নসহ কয়েকটি দেশ লিবিয়াকে অবৈধ আটককেন্দ্রগুলো বন্ধ করার আহ্বান জানায়, যেখানে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী অভিবাসীদের নির্যাতন, হামলা ও হত্যার শিকার হতে হয়।