মাদক ব্যবসা, অর্থ আদায় ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি আবেদনকারীর
ডবলমুরিং-হালিশহরে মাদক, চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন
- আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম | ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ :
চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং ও হালিশহর থানা এলাকায় একটি চক্রের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেইলসহ বিভিন্ন সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মো. কামাল নামে এক ব্যক্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর এ আবেদন করেন। আবেদনপত্রে ডবলমুরিং ও হালিশহর থানা এলাকার একটি চক্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
আবেদনকারীর অভিযোগ, চক্রটির সদস্যরা সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে বিভিন্নভাবে টার্গেট করে ব্ল্যাকমেইল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি মাদক বিক্রি এবং বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করা হয়েছে।
আবেদনপত্রে কয়েকজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে হান্নান, বেলাল এবং হেপি সরকার-এর নাম রয়েছে। এছাড়া হেপি সরকারের দুই মেয়ে মারজান আক্তার (কাসপিয়া) ও মাহি-এর নামও আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, হান্নানের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ, বেলালের বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগ এবং হেপি সরকার ও তার দুই মেয়ের বিরুদ্ধে নারী সরবরাহসহ বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, ডবলমুরিং থানার নাম ব্যবহার করেও চাঁদা দাবি বা অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন আবেদনকারী।
মো. কামাল তার আবেদনে অভিযোগগুলোর বিষয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
এদিকে, যাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের বক্তব্য এ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং নিরপরাধ কেউ হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করা হবে।













