চরাঞ্চলে দীর্ঘদিনের আতঙ্ক, নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি স্থানীয়দের
হরিরামপুরে “আলি আকবর খান ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির অভিযোগ, আতঙ্কে চরবাসী”
- আপডেট সময় : ০১:২৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬ ১৪০ বার পড়া হয়েছে

হরিরামপুর | ১১ মে ২০২৬ :
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল—আজিমনগর, সুতালড়ি ও লেছড়াগঞ্জ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস, ভূমি দখল, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতির অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে পুরো চরাঞ্চলে চরম আতঙ্ক ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পদ্মার ভাঙনকবলিত এই অঞ্চলে বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জমি দখল, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিবাদ করলেই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এলাকায় মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অবৈধ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ নিয়েও আধিপত্য বিস্তার করা হয়েছে। স্থানীয় অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না। কারণ, অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে হামলা ও ভয়ভীতির আশঙ্কা রয়েছে।
একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, চরাঞ্চলের নিরীহ মানুষকে জিম্মি করে শত শত বিঘা জমি দখলে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নৈরাজ্য ও ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কয়েকজনও নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “চরাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে একটি ত্রাসের রাজত্ব কায়েম রয়েছে। সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময় উত্তেজনা, সংঘর্ষ ও ভয়ভীতির ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি আড়াল থেকে এসব কর্মকাণ্ডে মদদ দিচ্ছেন।
এ ঘটনায় আলি আকবর খান, মাসুম খান ও আকিবুল খানের নাম স্থানীয়দের অভিযোগে উঠে এসেছে। তবে তাদের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল ও চরবাসীর দাবি, বিষয়টি দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক। একই সঙ্গে চরাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।





















