আতিকা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়: সন্দেহভাজন নাঈম পুলিশের হেফাজতে, গণপিটুনিতে নিহত ৩
আতিকা হত্যা রহস্যে নতুন মোড়: সন্দেহভাজন নাঈম পুলিশের হেফাজতে
- আপডেট সময় : ০৫:০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রী আতিকা (১৪) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন নাঈমকে আটক করেছে থানা পুলিশ। তবে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না—এ নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে কিছুটা বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ এপ্রিল রাতে অভিযান চালিয়ে নাঈমকে আটক করা হয়। তবে আইনগত প্রক্রিয়া ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার গ্রেপ্তার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে এ ঘটনায় গণপিটুনিতে নিহত তিনজনের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বনপারিল গ্রামের দুদুল মিয়ার মেয়ে আতিকা নিখোঁজ হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রচার করা হয় এবং এলাকায় মাইকিং করে খোঁজাখুঁজি শুরু করা হয়।
পরবর্তীতে এক কিশোরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আতিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্বর্ণালংকার—দুল ও গলার চেইন লুটের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা প্রতিবেশী নাঈমকে সন্দেহ করলে উত্তেজিত জনতা তার পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় নাঈমের বাবা পান্নু মিয়া (৪৫) ও চাচা ফজলু (২৮) গণপিটুনিতে নিহত হন। এছাড়া নাঈমের ভাই নাজমুল (২০) গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঘটনার পর থেকে নাঈম পলাতক ছিল। পরে পুলিশের অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার মুঠোফোনে জানান, “ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। সকল দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”






















