জালিয়াপালংয়ের পাইন্যাশিয়ায় পরিবেশ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, উচ্ছেদ অভিযানের ঘোষণা বনবিভাগের
উখিয়ায় অবৈধ করাতকলে সামাজিক বনায়নের গাছ নিধনের অভিযোগ, বনবিভাগের উচ্ছেদ অভিযানের ঘোষণা
- আপডেট সময় : ০৭:০৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬ ৭২ বার পড়া হয়েছে

উখিয়া | ১০ মে ২০২৬ :
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের পাইন্যাশিয়া গ্রামে লাইসেন্সবিহীন করাতকল স্থাপন করে সামাজিক বনায়নের গাছ ও ঝাউগাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বনবিভাগের কিছু অসাধু কর্মচারীর সহযোগিতায় একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, পাইন্যাশিয়া গ্রামের আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে স্থাপিত করাতকলে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গাছ কেটে কাঠ চিরাই করা হচ্ছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারা শব্দদূষণ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, করাতকল (লাইসেন্স) বিধিমালা ২০১২ অনুযায়ী সংরক্ষিত, রক্ষিত বা সরকারি বনভূমির ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এবং আবাসিক এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কিংবা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর স্থানে করাতকল স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এরপরও নিয়ম অমান্য করে এ করাতকল পরিচালিত হচ্ছে।
অভিযোগে বলা হয়, সামাজিক বনায়নের গাছ ও দৃষ্টিনন্দন ঝাউগাছ কেটে ধ্বংস করা হচ্ছে। এছাড়া রোহিঙ্গা শ্রমিক দিয়ে কাঠ চিরাইয়ের কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, করাতকলের বিকট শব্দে শিশু-কিশোরদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটছে। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর এলাকায় জুয়া, মাদক ও ইয়াবা সেবনকারীদের আনাগোনা বেড়ে যাচ্ছে, যা স্থানীয় পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।
এ বিষয়ে ইনানী-জালিয়াপালং রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফিরোজ আল মামুন বলেন, “বিষয়টি আমাদের জানা আছে। এর আগে বন আইনে একটি মামলা করা হয়েছিল। তবে অভিযুক্ত পক্ষও পাল্টা মামলা করেছে। আগামী সপ্তাহে ওই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ করাতকল জব্দ করা হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে অবৈধ করাতকল বন্ধ এবং সামাজিক বনায়নের গাছ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।






















