চাকরিকাল, ছুটি ও নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ; তদন্ত শেষে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় সংশ্লিষ্টরা
উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, ইএলপিসি ইস্যুতে জটিলতা
- আপডেট সময় : ১১:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

উখিয়া (কক্সবাজার), ১৭ এপ্রিল ২০২৬:
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা-র উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়-এর সাবেক প্রধান শিক্ষক (পিআরএল-এ গমনকৃত) মোঃ আবুল হোছাইন সিরাজীর বিরুদ্ধে চাকরিকাল, ছুটি ভোগ এবং নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইএলপিসি (ELPC) ইস্যু নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা করে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছে।
তথ্যমতে, তিনি ১৪ জুলাই ১৯৯২ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে উখিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ২০০৫ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত চিকিৎসা ছুটিতে থাকা অবস্থায় তিনি কক্সবাজার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলে প্রায় ১০ মাস অধ্যক্ষ পদে স্ববেতনে দায়িত্ব পালন করেন, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থী।
অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, এর প্রমাণ হিসেবে তার যোগদানপত্র, বরখাস্ত আদেশ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাখিলকৃত অভিযোগপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে। উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার মন্তব্যে বলা হয়েছে, চিকিৎসা ছুটিকালীন সময়ে তথ্য গোপন করে অন্য প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা বেআইনি ও বিধিবহির্ভূত।
এছাড়া, চিকিৎসা ছুটি শেষে পুনরায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান গ্রহণের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পুনঃনিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়া পূর্বের পদে ফিরে আসা নিয়মসঙ্গত নয়।
আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতার ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও ২০১১ সালে তাকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে চিকিৎসা ছুটিকালীন অন্য প্রতিষ্ঠানে চাকরি এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে বরখাস্ত হওয়ার বিষয়টিও তদন্তে উঠে এসেছে।
তবে পূর্বের একটি তদন্ত প্রতিবেদনে এসব অভিযোগকে ষড়যন্ত্রমূলক বলে উল্লেখ করা হয়েছিল বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের পর ২০১৮ সালে জাতীয় বেতন স্কেলে তাকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বর্তমানে পিআরএল-এ গমন উপলক্ষে চাকরিকাল গণনা, ছুটি হিসাব এবং ইএলপিসি ইস্যু নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।






















