১২০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে প্রযুক্তি শিক্ষায় হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ
নোয়াখালীর সেনবাগে শিক্ষায় নতুন দিগন্ত—ছিলোনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য রোবোটিক্স ওয়ার্কশপ
- আপডেট সময় : ০৫:৫২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী ও সময়োপযোগী “রোবোটিক্স ওয়ার্কশপ”।
উপজেলার ৫নং অজুনতলা ইউনিয়নের ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রায় ১২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতা এবং উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের রোবোটিক্স, প্রোগ্রামিং এবং আধুনিক প্রযুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো হাতে-কলমে শেখানো হয়। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ, আগ্রহ এবং উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (KUET)-এর শিল্প প্রকৌশল ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২৪ ব্যাচের চারজন শিক্ষার্থী। তাদের তত্ত্বাবধানে অংশগ্রহণকারীরা প্রযুক্তির ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করে এবং নিজেদের সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ পায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহসিয়া তাবাসসুম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ, আইসিটি অফিসার আব্দুর রহিম এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল উদ্দিন।
বক্তারা বলেন, “বর্তমান বিশ্ব প্রযুক্তিনির্ভর। তাই শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত করা সময়ের দাবি। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে।”
সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক মোঃ ইমরান হোসেন ভূঁইয়া এবং সদস্য সচিব মাহামুদুর রহমান রাকিব জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আশা প্রকাশ করেন, সেনবাগ উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে রোবোটিক্স কর্মশালা চালু করা হবে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল এই আয়োজনকে যুগোপযোগী ও প্রশংসনীয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তাদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলতে সহায়ক।
এই রোবোটিক্স ওয়ার্কশপ নিঃসন্দেহে আধুনিক শিক্ষার পথে একটি মাইলফলক, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।






















