পানি সংকটের কারণে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বোরো ধানের চারা নষ্ট, চাষিরা ক্ষতির মুখে
লক্ষ্মীপুরে বোরো ধানের চাষে পানির অভাব, ক্ষতির শঙ্কায় কৃষকরা
- আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বোরো ধানের চাষে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। চাঁদপুর সেচ প্রকল্প থেকে পর্যাপ্ত পানি না আসায় বোরো ধানের চারা লাল হয়ে পুড়ে যাচ্ছে এবং ফসলের জমিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার হাজারো কৃষকের মধ্যে উৎপাদনহীনতার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
১৪ মার্চ (শনিবার) সরজমিনে ইছাপুর, চন্ডীপুর, লামচর ও পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় এই দৃশ্য দেখা গেছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, দ্রুত খাল পুনঃখনন ও বিকল্প সেচ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে চলতি মৌসুমে ব্যাপক ক্ষতি হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ-উজ-জামান খান জানিয়েছেন, চাঁদপুর সেচ প্রকল্পের আওতায় রামগঞ্জ ও রায়পুরে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার খালে সেচ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ১৯৭৮ সালে স্থাপিত বাগাতি পাম্প হাউসের কার্যক্ষমতা মাত্র ৩০%–এ নেমে এসেছে। ফলে আগের তুলনায় পানি উত্তোলন কমে গেছে।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে লক্ষ্মীপুর জেলায় ৩৮,২০০ হেক্টর জমিতে এবং রামগঞ্জ উপজেলায় ৯,৩১০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু পানির অভাবে অন্তত ১২৫ হেক্টর জমিতে চাষ সম্ভব হয়নি।
কৃষকরা জানান, খালে পানি না থাকায় চারা রোপণ করা যাচ্ছে না এবং ইতিমধ্যেই অনেক জমিতে ধান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাব্বির আহম্মদ সিফাত জানিয়েছেন, বিকল্প সেচ ব্যবস্থা নিয়ে কৃষকদের সহায়তা করা হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন বলেন, “মেঘনা নদীর রায়পুর অংশের মিষ্টি পানি খাল মারফত আনার প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে কৃষকরা বোরো আবাদে কিছুটা নিশ্চয়তা পাবেন।”






















