পটিয়া পৌরসভার বাহুলী এলাকায় পাঁচতলা ভবনের বাসা থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হাতে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য
পটিয়ায় গৃহবধূ সুমাইয়ার রহস্যজনক মৃত্যু, ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার
- আপডেট সময় : ০৯:০১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার বাহুলী এলাকায় গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস সুমাইয়া (২৪)-এর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তাকে নিজ বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে সুমাইয়া তার বেডরুমে প্রবেশ করেন। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে তাকে আর বাইরে বের হতে দেখা যায়নি। পরিবারের সদস্যরা তাকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
সুমাইয়ার পিতা আবদুল করিম জানান, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার ভাগ্নী সুমি মোবাইল ফোনে জানায় যে সুমাইয়া রুমের দরজা বন্ধ করে রেখেছেন এবং কোনো সাড়া দিচ্ছেন না। জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে ড্রইং রুমের মেঝেতে রক্ত দেখতে পান তারা। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি দ্রুত পটিয়া থানায় যোগাযোগ করেন।
পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর প্রবেশ করে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করে। ঘরের আশপাশে রক্তের দাগ এবং তার দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান স্থানীয়রা। এ নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, যদি এটি আত্মহত্যা হয়ে থাকে তবে তার হাতে আঘাতের চিহ্ন কেন রয়েছে—তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় চার মাস আগে আনোয়ারা উপজেলার সাব্বির আহমদ আরজুর সাথে সামাজিকভাবে সুমাইয়ার বিয়ে হয়।
বিয়ের পর তারা পটিয়া পৌরসভার বাহুলী এলাকায় একটি পাঁচতলা থ্রি-স্টার বিল্ডিংয়ের ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
সুমাইয়ার নিজ বাড়ি পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শেখ মুহাম্মদ পাড়ায়, এয়ার আলী তালুকদারের বাড়িতে।
পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমা বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এজন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।






















