মোবাইল হারিয়েও মিলছে না উদ্ধার, জিডি করেও হতাশ ভুক্তভোগীরা
মোবাইল চুরি ও ছিনতাইয়ের মহোৎসব: গণপরিবহন ও ট্রেনে বেপরোয়া চক্র, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
- আপডেট সময় : ১০:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

ইব্রাহিম হাওলাদার |
পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
পিরোজপুর: সারাদেশে উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে মোবাইল ফোন চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা। বিশেষ করে গণপরিবহন, বাসস্ট্যান্ড ও ট্রেনগুলোতে ভদ্রবেশে ওত পেতে থাকা চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। যাত্রীদের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে মুহূর্তেই মোবাইল ফোন ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নিচ্ছে তারা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মোবাইল ফোন হারানোর পর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও ফোন উদ্ধার হয় না। অনেক থানায় প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে দায়সারা তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। এতে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
সচেতন মহলের দাবি, ডিজিটাল বাংলাদেশে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে মোবাইল ট্র্যাকিং ও দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। মোবাইল চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রগুলোকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা না গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি মোঃ ইব্রাহিম হাওলাদার জানান, সাধারণ মানুষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ এবং মাঠ পর্যায়ে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো সময়ের দাবি। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কার্যকর নজরদারি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত অভিযান এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করা হলে মোবাইল চুরি ও ছিনতাই অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের আস্থা সংকটে পড়বে।






















