নারী অধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও তৃণমূল উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়ার অঙ্গীকার
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাংবাদিক লিপিকা সরকার, দলে ইতিবাচক আলোচনা
- আপডেট সময় : ০৯:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক |
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠছে—যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা নেতৃত্বই আগামী দিনের রাজনৈতিক বাস্তবতা নির্ধারণ করবে।
এই প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সাংবাদিক লিপিকা সরকারের নাম এখন বিএনপির অভ্যন্তরে ও পেশাজীবী মহলে আলোচনায় রয়েছে।
দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা, রাজনৈতিক সচেতনতা এবং তৃণমূল মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক তাকে একটি সম্ভাবনাময় মুখ হিসেবে সামনে এনেছে। পেশাগতভাবে সাংবাদিক হলেও তার কার্যক্রম কেবল সংবাদ পরিবেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না।
সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠী, নারী অধিকার, স্থানীয় প্রশাসনের জবাবদিহিতা এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
সহকর্মী সাংবাদিকদের মতে, লিপিকা সরকার সবসময়ই সাহসী ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তার প্রতিবেদনে নারী নির্যাতন, সামাজিক বৈষম্য, প্রশাসনিক জটিলতা এবং রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত মানুষের বাস্তবতা উঠে এসেছে।
লিপিকা সরকার প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনৈতিক দর্শন ও জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী। তার মতে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। সুযোগ পেলে আমি সেই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে যোগ্য ও সমাজসচেতন নারীদের সংসদে নিয়ে আসা। লিপিকা সরকারের সাংবাদিকতা পেশায় অর্জিত অভিজ্ঞতা তাকে রাষ্ট্র, সমাজ ও রাজনীতির বাস্তবতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিয়েছে। পাশাপাশি নারী উন্নয়ন, মানবাধিকার ও সামাজিক সচেতনতা বিষয়েও তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন।
দলীয় একাধিক সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বিভিন্ন পেশার যোগ্য নারীদের নাম বিবেচনা করা হচ্ছে। পেশাজীবী সমাজ থেকে নেতৃত্ব অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।
লিপিকা সরকার জানিয়েছেন, সংসদ সদস্য হওয়ার সুযোগ পেলে তিনি নারী অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেবেন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, যোগ্যতা ও জনসম্পৃক্ততার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে লিপিকা সরকার বিএনপির জন্য একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য সংযোজন হতে পারেন।






















