ইসলামে জবরদস্তি নেই—কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে বক্তব্য
১১ ফেব্রুয়ারি ‘বাতিল শিয়াবাদ প্রতিরোধ দিবস’ ঘোষণা, শিয়াবাদ ইসলামের পরিপন্থী প্রতারণা—আল্লামা ইমাম হায়াত
- আপডেট সময় : ০৮:২৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৬৬ বার পড়া হয়েছে

মঈনউদ্দিন | চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
বিশ্ব সুন্নী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রবর্তক আল্লামা ইমাম হায়াত ১১ ফেব্রুয়ারিকে ‘বাতিল শিয়াবাদ প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে উল্লেখ করে এক বক্তব্য দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ইসলামের নামে বিভিন্ন মতবাদ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঈমান ও দ্বীন বিকৃত করা হচ্ছে।
তাঁর ভাষ্যমতে, “ইসলামের ছদ্মনামে শিয়াবাদ ঈমান-দ্বীন পরিপন্থী প্রতারণা।”
আল্লামা ইমাম হায়াত ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ইরানে প্রতিষ্ঠিত শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে দাবি করেন, এটি ইসলামের প্রকৃত আদর্শের প্রতিনিধিত্ব করে না। একই সঙ্গে তিনি অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ধারার সমালোচনাও করেন।
তিনি কোরআনের সূরা বাকারা ২৫৬ নম্বর আয়াত ‘লা ইকরাহা ফিদ্দীন’ উল্লেখ করে বলেন, ইসলামে জবরদস্তি নেই এবং কারো ওপর বলপূর্বক ধর্মীয় কিছু চাপিয়ে দেওয়া ইসলামসম্মত নয়। এছাড়া ‘লাকুম দ্বীনুকুম ওয়ালিয়া দ্বীন’ আয়াত উদ্ধৃত করে ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা হলো মানবতার কল্যাণ, স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা। তাঁর মতে, “জবরদস্তি ও বলপ্রয়োগ ইসলামের মূল চেতনার পরিপন্থী।”
তিনি আরও দাবি করেন, ইসলামের নামে স্বৈরশাসন বা বলপূর্বক মত চাপিয়ে দেওয়া ইসলাম বিকৃত করার শামিল। তাঁর বক্তব্যে তিনি মানবিক মর্যাদা, স্বাধীনতা ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উল্লেখ্য, আল্লামা ইমাম হায়াত বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত। তাঁর এই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।























বিশ্ব সুন্নী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রবর্তক আল্লামা ইমাম হায়াত ১১ ফেব্রুয়ারিকে ‘বাতিল শিয়াবাদ প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে উল্লেখ করে এক বক্তব্য দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ইসলামের নামে বিভিন্ন মতবাদ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঈমান ও দ্বীন বিকৃত করা হচ্ছে।