চেকপোস্টে তল্লাশির নামে হয়রানির অভিযোগ, প্রকৃত মাদক কারবারিকে না ধরার প্রশ্ন
চট্টগ্রামের অক্সিজেন চেকপোস্টে সাংবাদিককে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ, এসআই শাহনেওয়াজের বিরুদ্ধে! ভিডিও ভাইরাল
- আপডেট সময় : ১০:১০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬ ৩৬৫ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম নগরীর অক্সিজেন চেকপোস্টে বায়েজীদ বোস্তামী থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে সাংবাদিক মহল ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
আজ আনুমানিক বিকাল ৫টার দিকে নগরীর অক্সিজেন লোহার ব্রিজ এলাকায় স্থাপিত পুলিশ চেকপোস্টে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক রাজীব আহমেদ অভিযোগ করে জানান, পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাসায় ফেরার পথে তাকে চেকপোস্টে থামানো হয়। এ সময় বায়েজীদ থানার এসআই শাহনেওয়াজ তার পকেটে ইয়াবা রয়েছে দাবি করে তল্লাশি চালানোর চেষ্টা করেন।
সাংবাদিক রাজীব আহমেদের দাবি, ঘটনাস্থলে তার পাশেই একটি মোটরসাইকেলে থাকা ব্যক্তি প্রকৃত মাদক কারবারি এবং তিনি এসআই শাহনেওয়াজের কথিত সোর্স। ওই ব্যক্তির পকেটে মাদক রয়েছে বলে সাংবাদিক ও এলাকাবাসী পুলিশকে চ্যালেঞ্জ জানালেও তাকে তল্লাশি কিংবা আটক করা হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংবাদিক রাজীব আহমেদকে তল্লাশি করে কোনো ধরনের মাদকদ্রব্য না পাওয়ায় পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। একই সঙ্গে কথিত মাদক কারবারি ও এসআই শাহনেওয়াজের সোর্স বলেও পরিচিত ওই ব্যক্তিও পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর অভিযুক্ত এসআই শাহনেওয়াজের বক্তব্য জানতে জাতীয় দৈনিক অনলাইন পত্রিকা সারাদেশ৭১-এর পক্ষ থেকে সম্পাদক রাজু আহমেদ তার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কল রিসিভ না করে কেটে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বায়েজীদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জাহেদুল কবির বলেন,
“এটা স্বাভাবিক ঘটনা। পুলিশ যাকে খুশি তাকে চেক করতে পারে। এতে রাগ করার কিছু নাই।”
তবে যাকে মাদকসহ তল্লাশির জন্য সাংবাদিক ও স্থানীয়রা চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন, তাকে কেন চেক করা হয়নি—এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি কোনো যুক্তিসংগত কারণ জানাতে পারেননি।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা অভিযোগ করেন, নিরীহ মানুষ ও সাংবাদিকদের হয়রানি করা হলেও প্রকৃত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন নাগরিকরা।






















