অনলাইন আবেদন বাতিল, ম্যানুয়ালি কার্ড ইস্যুর সিদ্ধান্তে স্বস্তিতে সাংবাদিক সমাজ
সাংবাদিকদের জন্য সুখবর: অনলাইন জটিলতা বাতিল, সরাসরি কার্ড ও স্টিকার দেবে নির্বাচন কমিশন
- আপডেট সময় : ১১:২৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিকদের জন্য বড় স্বস্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র (কার্ড) ও গাড়ির স্টিকার সংগ্রহে দীর্ঘদিনের অনলাইন জটিলতা বাতিল করে এখন থেকে সরাসরি বা ম্যানুয়ালি কার্ড ও স্টিকার ইস্যুর নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে কমিশন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও সাংবাদিকদের ভোগান্তি বিবেচনায় নিয়ে বিকল্প হিসেবে সরাসরি কার্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই ম্যানুয়ালি কার্ড ও স্টিকার সংগ্রহের বিস্তারিত প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। তবে যেসব সাংবাদিক ইতোমধ্যে অনলাইনে সফলভাবে আবেদন করেছেন, তাদের আবেদন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক নিয়মেই চলমান থাকবে। আর যারা অনলাইনে আবেদন করতে পারেননি বা পোর্টালের সমস্যায় পড়েছেন, তাদের নতুন করে অনলাইনে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। তারা সরাসরি নির্বাচন ভবনে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
প্রথমদিকে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অনলাইন আবেদন পদ্ধতি চালু করা হলেও সাংবাদিক নেতারা অভিযোগ করেন, ইসির অনলাইন পোর্টালটি ব্যবহারবান্ধব নয়। কারিগরি ত্রুটির কারণে বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকরা আবেদন করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন। এ বিষয়ে সাংবাদিক সংগঠনগুলোর ধারাবাহিক চাপ ও দাবির মুখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
এদিকে সাংবাদিক নেতারা আগামী ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন। সময়সীমার আগেই ইসি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করায় সাংবাদিক মহলে স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।
নির্বাচনের মাঠে সঠিক, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে কমিশন জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্ত অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করবে এবং নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ আরও সহজ ও স্বচ্ছ করবে।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন কমিশনের এ পদক্ষেপ একটি অবাধ, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার পথে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।






















