স্থানীয়দের বাধায় গাছ কাটা বন্ধ, বন বিভাগের মামলার প্রস্তুতি
পাঁচবিবিতে সরকারি রাস্তার গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ, বন বিভাগের গাছ জব্দ
- আপডেট সময় : ০৬:১২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বালিঘাটা ইউনিয়নের কচুর লতিহাটি মোড় থেকে পাটাবুকা আখড়া ঘাট পর্যন্ত সরকারি রাস্তার তিনটি গাছ অবৈধভাবে কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পশ্চিম বালিঘাটা গ্রামের এনামুল হক বাবুর বিরুদ্ধে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
অভিযুক্ত এনামুল হক বাবু ওই গ্রামের মৃত এরফান আলী প্রামানিকের পুত্র। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে গাছগুলো কাটার সময় স্থানীয় জনতা বাধা দিলে গাছ কাটা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার পাশে লাগানো বিশাল আকৃতির একটি কদম ও দুটি ইউক্যালিপটাস গাছ গোপনে এক ব্যক্তির নিকট প্রায় ১২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। সকালে গাছ কর্তনের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দেন। পরে উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তারা এসে গাছগুলো জব্দ করেন।
পাটাবুকা গ্রামের বাসিন্দা নুর জাহিরুল ইসলাম জানান, তিনি ও মোখলেছার নামের আরেক ব্যক্তি রাস্তায় গাছ তিনটি রোপণ করেছিলেন। ভবিষ্যতে রাস্তার চলাচলে সমস্যা হলে গাছ বিক্রি করে সেই অর্থ স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই এনামুল হক বাবু গাছগুলো সমিতির সম্পত্তি দাবি করে বিক্রি করেন।
এ বিষয়ে সমিতির সদস্য এনামুল হক বাবু বলেন, আখড়া ঘাটের ব্রীজ নির্মাণ কাজের কারণে রাস্তায় সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় ঠিকাদারের অনুরোধে সমিতির রেজুলেশন অনুযায়ী গাছ বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়। তবে তিনি নিজেকে সমিতির সভাপতি নন, কেবল সদস্য দাবি করেন।
অন্যদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নদীতে ব্রীজ নির্মাণের সঙ্গে সরকারি রাস্তার গাছ কাটার কোনো সম্পর্ক নেই এবং তারা কাউকে গাছ কাটার অনুরোধ করেননি।
উপজেলা বন কর্মকর্তা মহিউদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল থেকে গাছগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।






















