অরক্ষিত সেতু মেরামত নিয়ে পৌরসভা ও এলজিইডির দায় এড়ানোর অভিযোগ
দুই কর্তৃপক্ষের দায় ঠেলাঠেলিতে ঝুঁকিতে শিশু ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা: মণিরামপুরের অরক্ষিত সেতুতে আতঙ্ক
- আপডেট সময় : ০২:৩১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

যশোরের মণিরামপুর পৌরসভার মোহনপুর–তাহেরপুর ওয়ার্ড সংযোগস্থলের একটি সেতু দীর্ঘদিন ধরে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রায় দুই যুগ আগে নির্মিত এ সেতুটি সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় থাকায় প্রতিদিন শিশু, স্কুল–কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ শতশত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পায়ে হাঁটার পাশাপাশি বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, ভ্যান ও ইজিবাইকসহ বিভিন্ন তিন চাকার যানবাহন এ সেতু দিয়ে চলাচল করে। সেতুটির চারপাশে রেলিং ভেঙে যাওয়ায় বিশেষ করে ২ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশু ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। সামান্য অসাবধানতায় যে কেউ সরাসরি হরিহর নদীতে পড়ে যেতে পারেন বলে অভিযোগ একাধিক ভুক্তভোগীর।
স্থানীয়দের তথ্যমতে, এলজিইডির আওতায় নির্মিত সেতুটি ২০২২ সালে মণিরামপুর রাজগঞ্জ মোড় এলাকায় নতুন ব্রিজ নির্মাণকালে বাইপাস সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অতিরিক্ত চাপের কারণে সেতুটির রেলিংসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে সেতুটি চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।
এলাকাবাসী জানান, মনোরম পরিবেশের কারণে বিকেল হলেই শিশু ও নানা বয়সী মানুষ সেতুর আশপাশে সময় কাটাতে আসে। পাশাপাশি স্থানীয় কয়েকটি পরিবারের শিশুরা নিয়মিত সেতুটির ওপর দিয়ে যাতায়াত করে। ব্যস্ত চলাচলের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত সেতুটি মেরামতের দাবি জানিয়েছেন তারা।
সেতু মেরামত বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী শাখা ও মণিরামপুর পৌরসভার মধ্যে দায়িত্ব নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করা হচ্ছে। উপজেলা এলজিইডি অফিসের সহকারী প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান জানান, এটি পৌরসভার দায়িত্ব। অপরদিকে পৌরসভার সচিব মোঃ তৌফিকুল ইসলাম বলেন, সেতুটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী বিভাগের আওতাধীন।
পরবর্তীতে বিষয়টি মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেনকে অবহিত করা হলে তিনি বিষয়টি অবগত হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।






















