লিখিত পরীক্ষায় ফেল করেও মৌখিক পরীক্ষায় পাস দেখানোর অভিযোগে ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা
ইসলামিক ফাউন্ডেশন লালমনিরহাটে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, উপ-পরিচালকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
- আপডেট সময় : ০৭:৪৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

সঞ্জয় কুমার |
আদিতমারী উপজেলা প্রতিনিধিঃ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন লালমনিরহাট জেলার “মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম” (৮ম পর্যায়) প্রকল্পের শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন লালমনিরহাট জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ও শিক্ষক নিয়োগ নির্বাচন কমিটির সদস্য সচিব মো. রেজাউল করিম।
জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষক পদের জন্য গত ২৪ জানুয়ারি (শনিবার) জেলা মডেল মসজিদ হলরুমে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন বিকেলে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং সন্ধ্যা সাতটার দিকে মৌখিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল শিট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়—আদিতমারী উপজেলার “সহজ কোরআন শিক্ষা” বিভাগের এক পরীক্ষার্থী (রোল নম্বর-৭) লিখিত পরীক্ষায় ফেল করলেও মৌখিক পরীক্ষায় তাকে পাশ দেখানো হয়েছে। এ বিষয়টি আড়াল করতে পরবর্তীতে নতুন করে আরেকটি লিখিত পরীক্ষার ফলাফল শিট প্রকাশ করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এর আগেও এই প্রকল্পের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রশ্ন উঠেছিল। বিশেষ করে নিয়োগে স্থানীয় প্রভাব, রাজনৈতিক সুপারিশ ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে আলোচিত হয়ে আসছে।
৮ম পর্যায়ের নিয়োগ পরীক্ষাতেও একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় সাধারণ পরীক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন লালমনিরহাট জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ও শিক্ষক নিয়োগ নির্বাচন কমিটির সদস্য সচিব মো. রেজাউল করিম বলেন, “আমাদের ভুল হয়েছে। মানুষ বলতেই ভুল।”
এ বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ নির্বাচন কমিটির সভাপতি ও লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচ. এম. রকিব হায়দারের বক্তব্য জানতে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।






















