ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে আউটসোর্সিং কর্মচারীদের নিয়োগ বাতিল প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের তদারকি
নিয়ম বহির্ভূতভাবে আউটসোর্সিং নিয়োগ বাতিল: ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে তদারকি
- আপডেট সময় : ০৯:৪১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

মো. আরফান আলী | ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
নিয়ম বহির্ভূতভাবে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ হওয়া কর্মীদের চাকরি বাতিল করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আউটসোর্সিং কর্মচারী ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম।
রোববার সকালে আউটসোর্সিং কর্মচারীদের নিয়োগ বাতিলের বিষয়ে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে তদারকি করতে এসে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৭ মাস আগে আউটসোর্সিংয়ের লোকদের চাকরি কেন বাতিল করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে এসেছি। আমরা যা দেখেছি, তাদের চাকরিচ্যুতির প্রক্রিয়া নিয়মতান্ত্রিকভাবে হয়নি।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে তাদের চাকরি পুনর্বহালের নির্দেশনা আসার পরও কেন তা বাস্তবায়ন হয়নি, সেটিও আমরা অনুসন্ধান করছি।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, যারা চাকরিচ্যুত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন, তাদের দ্রুত সমাধানের বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এসময় তার সাথে পরিদর্শনে ছিলেন বাংলাদেশ আউটসোর্সিং কর্মচারী ঐক্যপরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন বাবু, সিনিয়র সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক রাজু, দপ্তর সম্পাদক আওলাদ হোসেনসহ অনেকে।
জানা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ‘মেসার্স সারমী ট্রেডার্স’ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ে ক্লিনার, আয়া, ওয়ার্ডবয়, ট্রলি বয়, ওটি বয় ও নিরাপত্তা প্রহরীসহ বিভিন্ন পদে লোক নিয়োগ দেওয়া হয়।
গত ৭ মাস আগে হঠাৎ করে হাজিরা খাতা ও ডিউটি রেজিস্টার থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়। চাকরিচ্যুতির কোনো লিখিত নোটিশও দেওয়া হয়নি।পরে চাকরিচ্যুত ৩৫ জন কর্মী মানববন্ধন, সাংবাদিক সম্মেলন ও স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।
২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে চাকরিচ্যুত কর্মীদের চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশপত্র পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল বলেন,যেহেতু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের নিয়োগ এবং প্রতিষ্ঠান তাদের চাকরিচ্যুত করেছে, সেক্ষেত্রে আমরা বিষয়টি দেখবো। মানবিক দিক বিবেচনা করে সরকারিভাবে লোকবল বাড়ানো হলে তাদের বিষয়ে কাজ করবো।”






















