চট্টগ্রাম ১০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিক্সসহ ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ ডবলমুরিং-হালিশহরে মাদক, চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানকে জেলা কংগ্রেসের ফুলেল শুভেচ্ছা রাণীশংকৈলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, পতাকা উত্তোলন ও বৃক্ষরোপণ দামুড়হুদায় মটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে বিজিবির পৃথক অভিযান, উদ্ধার ভারতীয় পণ্য নজরুল বর্ষ ঘিরে পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিদ্রোহী কবির চেতনায় উখিয়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

কিশোরগঞ্জ বাজিতপুরে ৫৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, সহকারী শিক্ষক ও দপ্তরি পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও বিদ্যালয় কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত

কিশোরগঞ্জ বাজিতপুরে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ৫৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাঠদান স্থগিত

এ.এস.এম হামিদ হাসান
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এ.এস.এম হামিদ হাসান | কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ):

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতে প্রধান শিক্ষক না থাকায় পাঠদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য রয়েছে। এছাড়া সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে ৭৪টি এবং দপ্তরি/নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদও খালি রয়েছে।

প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলোর দাপ্তরিক কাজ ও শিক্ষাব্যবস্থা যথাযথভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি হিসাবে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা আরও বেশি। কারণ ৫৭ জন সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তাদের সহকারী শিক্ষক পদগুলোও কার্যত শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে মোট সহকারী শিক্ষক শূন্য পদ দাঁড়াচ্ছে ১৩১টি।

এছাড়া ২৪টি বিদ্যালয়ে দপ্তরি/নৈশপ্রহরীর পদ শূন্য থাকায় প্রতিষ্ঠানের নৈমিত্তিক কার্যক্রমও বিঘ্নিত হচ্ছে।
বাজিতপুর উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ কে এম সায়েম খান বলেন, “সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে দিয়ে তাদের কাজের চাপ বেড়ে গেছে। ফলে বিদ্যালয় পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। অতিদ্রুত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ জরুরি।”

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “শিক্ষক সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। ৭৫টি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি শীঘ্রই শূন্য পদগুলো পূরণ হবে এবং শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কিশোরগঞ্জ বাজিতপুরে ৫৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, সহকারী শিক্ষক ও দপ্তরি পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও বিদ্যালয় কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত

কিশোরগঞ্জ বাজিতপুরে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ৫৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাঠদান স্থগিত

আপডেট সময় : ১১:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

এ.এস.এম হামিদ হাসান | কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ):

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতে প্রধান শিক্ষক না থাকায় পাঠদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য রয়েছে। এছাড়া সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে ৭৪টি এবং দপ্তরি/নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদও খালি রয়েছে।

প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলোর দাপ্তরিক কাজ ও শিক্ষাব্যবস্থা যথাযথভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি হিসাবে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা আরও বেশি। কারণ ৫৭ জন সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তাদের সহকারী শিক্ষক পদগুলোও কার্যত শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে মোট সহকারী শিক্ষক শূন্য পদ দাঁড়াচ্ছে ১৩১টি।

এছাড়া ২৪টি বিদ্যালয়ে দপ্তরি/নৈশপ্রহরীর পদ শূন্য থাকায় প্রতিষ্ঠানের নৈমিত্তিক কার্যক্রমও বিঘ্নিত হচ্ছে।
বাজিতপুর উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ কে এম সায়েম খান বলেন, “সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে দিয়ে তাদের কাজের চাপ বেড়ে গেছে। ফলে বিদ্যালয় পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। অতিদ্রুত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ জরুরি।”

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “শিক্ষক সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। ৭৫টি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি শীঘ্রই শূন্য পদগুলো পূরণ হবে এবং শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।”