কিশোরগঞ্জ বাজিতপুরে ৫৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, সহকারী শিক্ষক ও দপ্তরি পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও বিদ্যালয় কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত
কিশোরগঞ্জ বাজিতপুরে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ৫৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাঠদান স্থগিত
- আপডেট সময় : ১১:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

এ.এস.এম হামিদ হাসান | কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ):
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতে প্রধান শিক্ষক না থাকায় পাঠদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য রয়েছে। এছাড়া সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে ৭৪টি এবং দপ্তরি/নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদও খালি রয়েছে।
প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলোর দাপ্তরিক কাজ ও শিক্ষাব্যবস্থা যথাযথভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি হিসাবে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা আরও বেশি। কারণ ৫৭ জন সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তাদের সহকারী শিক্ষক পদগুলোও কার্যত শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে মোট সহকারী শিক্ষক শূন্য পদ দাঁড়াচ্ছে ১৩১টি।
এছাড়া ২৪টি বিদ্যালয়ে দপ্তরি/নৈশপ্রহরীর পদ শূন্য থাকায় প্রতিষ্ঠানের নৈমিত্তিক কার্যক্রমও বিঘ্নিত হচ্ছে।
বাজিতপুর উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ কে এম সায়েম খান বলেন, “সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে দিয়ে তাদের কাজের চাপ বেড়ে গেছে। ফলে বিদ্যালয় পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। অতিদ্রুত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ জরুরি।”
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “শিক্ষক সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। ৭৫টি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি শীঘ্রই শূন্য পদগুলো পূরণ হবে এবং শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।”






















