মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার পর উন্নয়ন ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের অঙ্গীকার স্বতন্ত্র প্রার্থীর
গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম. আনিসুল ইসলাম ব্যালান্সড সমাজ ব্যবস্থা গড়তে চান
- আপডেট সময় : ১২:১৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জ নিজস্ব প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে আয়তন ও ভোটার সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় আসন হলো গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর–কাশিয়ানি আংশিক)। এ আসনে ভোটার সংখ্যা প্রায় চার লাখ।
গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। শনিবার এ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়। যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, তিনি হলেন এম. আনিসুল ইসলাম। তিনি মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝুটিগ্রামের সন্তান।
মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এম. আনিসুল ইসলাম বলেন, তিনি সাধারণ মানুষের সেবা করার লক্ষ্যেই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন।
তিনি জানান, সংসদীয় আসন গোপালগঞ্জ-১ এর সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন তাঁর প্রধান লক্ষ্য। এর মধ্যে রয়েছে এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন, খাল ও নদী সচল করা, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, সড়কবাতি স্থাপনসহ পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম।
নারী উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি বয়স্ক, বিধবা ও মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা প্রদান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এছাড়া কৃষক, শ্রমিক ও মৎস্যজীবীদের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, শিক্ষা বিস্তার ও ক্রীড়া উন্নয়নে ভূমিকা রাখাও তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।
এম. আনিসুল ইসলাম আরও বলেন, পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বৈষম্য কমিয়ে একটি টোটাল ব্যালান্সড সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান তিনি। আধুনিক এই যুগে মানুষের দুর্দশায় পাশে দাঁড়ানোই তাঁর রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য।
শেষে তিনি বলেন, এই লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্য তিনি একবার সুযোগ চান এবং গোপালগঞ্জ-১ আসনের ভোটারদের ভোট, দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেন।






















