সীমান্ত বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে দোয়ারাবাজারে সংঘটিত আহাদ হত্যাকাণ্ডে বর্ডার সিন্ডিকেটের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা
দোয়ারাবাজারে আহাদ হত্যাকাণ্ড: সীমান্ত সিন্ডিকেটের সম্পৃক্ততার অভিযোগ জোরালো
- আপডেট সময় : ০৭:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ৩২ বার পড়া হয়েছে

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সংঘটিত আহাদ হত্যাকাণ্ডের পেছনে সংঘবদ্ধ একটি বর্ডার সিন্ডিকেটের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবার জানাচ্ছেন,সীমান্ত বাণিজ্য ঘিরে দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও কোটি টাকার লেনদেন হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হতে পারে।
নরসিংপুর ইউনিয়নের নশিমপুর গরুর হাটের ইজারা ও ভারতীয় গরু-মহিষ ব্যবসা নিয়ে নিহত আহাদ মিয়া ও আব্দুল আজিজের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। রশিদ সংগ্রহ, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, মালামাল কেয়ারিং ও আর্থিক লেনদেন কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব আরও জটিল আকার ধারণ করে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন,পূর্বে আহাদ ও আজিজ ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। চলতি বছর আজিজ তার খালাতো ভাইর নামে নরসিংপুর বাজারের গরুর হাটের ইজারা নেন। সীমান্ত এলাকায় আহাদের প্রভাব ও আধিপত্যের কারণে ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা ও মনোমালিন্য বৃদ্ধি পায়।
পরিবারের অভিযোগ,ঘটনার দিন আহাদ মাদক সেবন করছিলেন। হত্যার পরপরই সংশ্লিষ্টরা আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তদন্তে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। ২১ ডিসেম্বর আহাদের বড় ভাই দোয়ারাবাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সুরতহাল প্রতিবেদনে আহাদের গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ভারতের মেঘালয় সীমান্তের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। দোয়ারাবাজার থানার ওসি জানান, ঘটনা রহস্যজনক এবং তদন্ত চলছে।
স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, সীমান্ত এলাকা অপরাধচক্রের জন্য একটি অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্ভাব্য বর্ডার সিন্ডিকেটের জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্তের মূল ফোকাসে রয়েছে।






















