বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে আলোচনায় মানবিক রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান
বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভা ও গুণিজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ১১:০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৫ বার পড়া হয়েছে

১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীর উত্তরা ভুতের আড্ডা রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টারে আলোচনা সভা ও গুণিজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। মানবাধিকার সুরক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও মানবিক মূল্যবোধ জোরদারের লক্ষ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কবি নাছির আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজসেবক এম এ রাজ্জাক।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কর্মী ও গবেষক অ্যাডভোকেট মোঃ লতিফুর রহমান।
বিশেষ অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন—
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি কালিমুল্লাহ ইকবাল, বিএসকেপির মহাসচিব এম এ মমিন আনসারী, জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শেখ তিতুমীর আকাশ, মানব কল্যাণ পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মান্নান ভূঁইয়া, জাতীয় মানবাধিকার উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শেখ ফারুক, কুয়েত প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মাওলা, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক মোঃ শামসুল আলম, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. মোঃ দেলোয়ার হোসেন, গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুম রানা, এবং বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান বীথি মোস্তফা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডা. আসাদুজ্জামান আসাদ, মামুন আহমদ ফিরোজ, সাংবাদিক মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, হুমায়রা আক্তার কনা, মোঃ লিমন হোসেন, সুমাইয়া আক্তার, নাহিদ সুলতানা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ডি এ পারভেজ।
সভায় মানবাধিকার কর্মী হিসেবে অসাধারণ ভূমিকা এবং সাংবাদিকতায় সাহসী অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে কামাল খানকে ‘সেরা সংগঠক ও মানবাধিকার কর্মী’ সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। অতিথিরা স্টেজে ডেকে তাকে ক্রেস্ট ও সম্মাননা তুলে দেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে মানবাধিকার সুরক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে রাষ্ট্রীয় সংস্থা, নাগরিক সমাজ ও তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।”
শেষে গুণিজনদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান ও ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।






















