ডিআইজি এহসানুল্লাহ পলায়নকে কেন্দ্র করে সারদায় তোলপাড়—অভিযোগ অস্বীকার করলেন তবারক উল্লাহ
“ফ্যাসিবাদের দোসর শতাধিক পুলিশ কর্মকর্তা এখনও বহাল—রাজশাহীতে ডিআইজি পলায়ন ঘটনায় তোলপাড়”
- আপডেট সময় : ০৭:০৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৭ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী প্রতিনিধি :
ক্ষমতাসীন সময়ের নানা অভিযোগ-গুম, হয়রানি ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকা শতাধিক পুলিশ কর্মকর্তা এখনও দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল আছেন। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও অনেকেই উন্নত পদে বহাল আছেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিযোগ।
এরই মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদার অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন ও লজিস্টিকস) মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ। বরিশালের সাবেক এসপি ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে আলোচিত ডিআইজি এহসানুল্লাহকে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
গত ২৯ অক্টোবর ডিআইজি এহসানুল্লাহকে আটক করতে অভিযান চালানো হলে তিনি মোটরসাইকেলে করে একাডেমি থেকে বেরিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে তবারক উল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করেন। ঘটনাকে অনেকে “রহস্যজনক পলায়ন” বলে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে, অতিরিক্ত ডিআইজি তবারক উল্লাহর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অসদাচরণ, নারী পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অশোভন আচরণ, নিয়োগ-বাণিজ্য, বদলি, প্রশিক্ষণ মনোনয়ন ও ঠিকাদারি সুবিধা দেওয়ার মতো আরও একাধিক অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা উপেক্ষা করে রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়ার সংস্কৃতি এখনো বজায় রয়েছে। এতে প্রশাসনে অসন্তোষ ছড়িয়েছে।
ডিআইজি এহসানুল্লাহকে ঘিরে বিভিন্ন বিতর্কের বিষয়েও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সারদায় এক কর্মকর্তা প্রশ্ন তুলেছেন, “একাডেমি থেকে একজন ডিআইজি নিখোঁজ হলে পুরো একাডেমিকে কেন জবাবদিহির আওতায় আনা হচ্ছে না?”
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আরও জানিয়েছেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহসহ একাধিক উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তার বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসছে। পরবর্তী পর্বে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।






















