অগ্নিদগ্ধ ও অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া নুরজাহান পরিবারে ফিরতে চান; স্থানীয়দের মানবিক সহায়তার আহ্বান
কাউখালী কলেজসংলগ্ন এলাকায় অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবতী রোহিঙ্গা তরুণী উদ্ধার, প্রশাসনের সহযোগিতা প্রত্যাশা
- আপডেট সময় : ০৫:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ৭৭ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার কলেজসংলগ্ন এলাকায় কয়েকদিন ধরে অজ্ঞাত অবস্থায় ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে এক যুবতী রোহিঙ্গা তরুণীকে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় জানা যায়, তার নাম মোছাঃ নুরজাহান আক্তার, বয়স প্রায় ২০-২২ বছর।
৪ ডিসেম্বর ২০২৫, বুধবার দুপুরে সাংবাদিক মোং ইব্রাহিম হাওলাদার ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নুরজাহান জানান, তিনি মূলত কক্সবাজারের টেকনাফ থানার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। কয়েকদিন আগে ‘দুর্বৃত্তরা তার বাবা-মাকে হত্যা করেছে’ বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনা মানতে না পেরে তিনি ক্যাম্প ছেড়ে বের হয়ে আসেন এবং বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে ঘুরতে কাউখালী উপজেলায় চলে আসেন।
স্থানীয়রা জানান, তরুণীর পরনে থাকা কাপড় এলোমেলো এবং শরীরের কিছু অংশে পোড়া ও ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। তার কথাবার্তাও অসংলগ্ন, যা দেখে ধারণা করা হচ্ছে মানসিকভাবে তিনি কিছুটা অসুস্থ। এলাকাবাসী প্রথমে তার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বিভ্রান্ত অবস্থায় শুধু তার বাবার নাম “মোং শফিকুল ইসলাম (৪৬)” বলে উল্লেখ করেন।
নুরজাহান আরও জানান, “আমি আমার পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চাই। আমাকে কেউ সাহায্য করেন। আমি আল্লাহকে ডাকছি।”
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিরা তার ভাষা পুরোপুরি বুঝতে না পারায় বিষয়টি প্রশাসনের কাছে তুলে ধরার অনুরোধ করেছেন। এলাকাবাসীর দাবি, তরুণীর নিরাপত্তা ও চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে পুলিশের সহায়তা প্রয়োজন।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে তার পরিবার বা পরিচিত কারো কাছে তথ্য পৌঁছাতে পারে—এমন আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত লোকজন। তারা জানান, “নুরজাহানের পরিবার হয়তো কোথাও তাকে খুঁজছে। একটি শেয়ারও তাকে পরিবারে ফিরিয়ে দিতে পারে।”
মানবিক বিবেচনায় নুরজাহানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে কাউখালী উপজেলার সাধারণ মানুষ।






















