বামপন্থী প্যানেলের অভিযোগ: প্রশাসনের পক্ষপাত ও আচরণবিধি লঙ্ঘন নির্বাচন বানচালের লক্ষণ
জকসু নির্বাচনের তারিখ পেছানো নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র: মওলানা ভাসানী ব্রিগেড
- আপডেট সময় : ০৯:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০ বার পড়া হয়েছে

বামপন্থী ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ প্যানেল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের তারিখ পেছানোর চেষ্টাকে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করেছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন প্যানেল সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে তারা নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করেন। শিক্ষকের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ এবং ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়াকে প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।
প্যানেলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদপ্রার্থী জোয়ান অফ আর্ক বলেন, “পূর্বনির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী দিনগুলোতে দেশে জাতীয় নির্বাচনের ডামাডোল উঠলে, জকসু নির্বাচন অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হবে। প্রশাসন যদি নির্বাচনের তারিখ পেছায়, আমরা এটিকে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হিসেবে দেখব।”
জোয়ান অফ আর্ক আরও বলেন, ছাত্রদল সমর্থিত এক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেল বিভিন্নভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। কনসার্টে অর্থ প্রদান, শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ, বাস সরবরাহ এবং শিক্ষকদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়া এসব আচরণবিধি লঙ্ঘনের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
প্যানেলের জিএস প্রার্থী ও জবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি ইভান তাহসীব বলেন, “ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় প্রার্থীরা গণসংযোগ চালাতে পারছে না। এ অবস্থায় কিভাবে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে তা নিয়ে আমরা চিন্তিত। প্রশাসন সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে পারছে না, যা পক্ষপাতমূলক আচরণের পরিচয়।”
সংবাদ সম্মেলনে জবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক ও মাওলানা ভাসানী ব্রিগেড প্যানেলের এজিএস পদপ্রার্থী শামসুল আলম মারুফ বলেন, “নানান জায়গায় আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন নির্বিকার আচরণ করছে।”
এসময় প্যানেলের অন্যান্য প্রার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।






















