আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সানির প্রতিশ্রুতি—ন্যায়বিচার, অধিকার ও নিরাপত্তায় জিরো টলারেন্স
জকসু নির্বাচনে আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সানি
- আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ২৭ বার পড়া হয়েছে

জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. মাসুদ আহম্মদ সানি।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
মনোনয়ন গ্রহণের পর সানি বলেন, “আমি স্বতন্ত্রভাবে আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছি, কারণ আমি বিশ্বাস করি—জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শুধু শিক্ষার স্থান নয়, এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার, স্বপ্ন ও সম্ভাবনার ক্ষেত্র। কিন্তু আমরা অনেক সময় দেখি সমস্যার সমাধান নেই, ন্যায়বিচার পেতে দেরি হয়। আমি চাই এই বাস্তবতা বদলাতে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি সাংবাদিকতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও বঞ্চনাগুলো খুব কাছ থেকে দেখেছি। সাংবাদিকতা আমাকে শিখিয়েছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ধরতে, আর আইনের শিক্ষার্থী হিসেবে আমি বুঝেছি, শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদটি আমার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।”
সানি জানান, তিনি কোনো দলীয় ব্যানারে প্রার্থী নন, সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তার ভাষায়, “অনেক সময় দেখা যায় প্রার্থীরা ভালো কিছু করতে চাইলেও দলীয় বাধ্যবাধকতায় আটকে যান। কিন্তু আমি কোনো দলের নির্দেশে নয়, কেবল শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কাজ করব। আমি কারও দলের নয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রার্থী।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা দেখেছি, জবি শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কোবরা বিনা অপরাধে ১৫ মাস কারাভোগ করেছেন। এই অন্যায় আমাদের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। আমি চাই না, কোনো শিক্ষার্থী যেন বিনা অপরাধে ভোগান্তিতে পড়ে।”
আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হিসেবে তার প্রতিশ্রুতি—ন্যায়বিচার, অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা। তিনি বলেন, “প্রতিটি শিক্ষার্থীর অধিকার রক্ষায় আমি থাকব তাদের পাশে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে।”
এর আগে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১৩-১৭ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ, ১৭-১৮ নভেম্বর দাখিল, ১৯-২০ নভেম্বর যাচাই-বাছাই, ২৩ নভেম্বর প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর ২৪-২৬ নভেম্বর আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তি, ২৭ ও ৩০ নভেম্বর ডোপ টেস্ট এবং ৩ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। ৯-১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে নির্বাচনী প্রচারণা, আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২২ ডিসেম্বর। ভোট গণনা শেষে ২২-২৩ ডিসেম্বর ফলাফল ঘোষণা করা হবে।






















