উদীচীর রুমে গাজা সেবনের সংবাদ প্রকাশের পর উত্তেজনা, সাংবাদিকদের ঘিরে ধরেন বামনেতা ইভান তাহসিব
গাজা সেবনের সংবাদে ক্ষুব্ধ বামনেতা ইভান, জবি সাংবাদিকদের ওপর হামলার চেষ্টা
- আপডেট সময় : ০৮:৩৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫ ২৩ বার পড়া হয়েছে

জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) উদীচীর রুমে গাজা সেবনের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের জেরে দুই সাংবাদিকের ওপর চড়াও হয়েছেন বাম সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জবি শাখার সভাপতি ইভান তাহসিবের নেতৃত্বে বাম সংগঠনের অন্তত ১৫-২০ জন নেতাকর্মী শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় সাংবাদিকদের ঘিরে মব সৃষ্টির চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন— মেহেদী হাসান, প্রেসক্লাব সভাপতি ও দৈনিক সংবাদ এর প্রতিনিধি, এবং ইউছুব ওসমান, সাধারণ সম্পাদক ও প্রতিদিনের বাংলাদেশ এর প্রতিবেদক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, “প্রকাশিত গাজা সেবনের সংবাদকে কেন্দ্র করে বামনেতা ইভান ও তার সহযোগীরা সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। তারা উচ্চস্বরে প্রশ্ন তোলেন— কেন এই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।” সাংবাদিকরা এ সময় নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্যাখ্যা বা প্রতিবাদের সুযোগ নিতে বলেন, তবে এতে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বাম নেতারা।
ঘটনার একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেন ইভান ও তার সহযোগীরা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সালমান ইসলাম রিয়ন বলেন, “ইভানসহ অন্যরা সাংবাদিকদের ঘিরে ধরে উচ্চবাচ্য শুরু করেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।”
জবি প্রেসক্লাব সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, “ইভান এসে আমাদের বলেন, ‘নিউজ না করার কথা ছিল, কিন্তু আপনারা তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই নিউজ করেছেন।’ আমরা শান্তভাবে বলি, যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটিই নিউজ। তখন তারা আমাদের সাংবাদিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।”
সাধারণ সম্পাদক ইউছুব ওসমান বলেন, “আমরা টিএসসি এলাকায় চা খেতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ ইভান ও তার সহযোগীরা এসে আমাদের ঘিরে ধরে চড়াও হন। তারা প্রমাণ চাওয়ার নামে আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন।”
এর আগে শুক্রবার রাতে উদীচীর রুমে তীব্র গাজার গন্ধ পেয়ে সাংবাদিকরা বিষয়টি জানতে গেলে কয়েকজন সদস্য তাদের ওপর চড়াও হন। পরদিন এ ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পরই সাংবাদিকদের ওপর এই হামলার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার এই প্রবণতা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হুমকি সৃষ্টি করছে। বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।






















