সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অবৈধ বাঁধ অপসারণ, স্বস্তি ফিরল ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে
সংবাদ প্রকাশের পর কোটালীপাড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫২ পরিবারের পাশে দাঁড়াল উপজেলা প্রশাসন
- আপডেট সময় : ১০:১৭:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫ ৩৫ বার পড়া হয়েছে

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি:
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মাছের ঘেরে ক্ষতিগ্রস্ত ৫২ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাগুফতা হক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুম বিল্লাহ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস. এম. শাহজাহান সিরাজ এবং কোটালীপাড়া থানা পুলিশ এক যৌথ অভিযানে স্লুইস গেটের অবৈধ বাঁধ অপসারণ করেন। এরপর ঘেরের পানি কমতে শুরু করে এবং ভুক্তভোগীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জটিয়ার বাড়িতে ভাই ভাই মৎস্য খামার কর্তৃপক্ষ স্লুইস গেটে বাঁধ দিয়ে পানির প্রবাহ বন্ধ করে মাছ চাষ করছিল। এতে আশপাশের ৫২টি পরিবারের ঘরবাড়ি, পুকুরপাড় ও গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘদিন ধরে তারা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়ে আসলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
গত ৬ অক্টোবর উপজেলা প্রশাসন বাঁধটি অপসারণ করলেও রাতে আবারও বাঁধ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সংবাদ প্রকাশের পর ৫ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজেই ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন ও তাৎক্ষণিকভাবে অবৈধ বাঁধ অপসারণের নির্দেশ দেন।
৬ নভেম্বর সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঘেরের পানি প্রায় দুই ফুট নেমে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানান, মাছের ঘেরে অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করায় পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং কৃষিকাজ ব্যাহত হয়।
ভুক্তভোগী খোকন শিকদার বলেন,
> “আমাদের ঘরবাড়ি ও গাছপালা ভেঙে পড়ছিল। ইউএনও স্যার অবৈধ বাঁধ কেটে দিয়েছেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা ইউএনও স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং ‘ডেইলি পোস্ট’-কে ধন্যবাদ জানাই আমাদের খবরটি প্রকাশের জন্য।”
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস. এম. শাহজাহান সিরাজ বলেন,
> “সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হয়েছে। তাদের দুর্ভোগ কমাতে প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে।”ড়






















