টুপি পরা নিয়ে বিরোধের জেরে সহপাঠীর হাতে প্রাণ গেল মাদরাসা ছাত্র নাজিমের
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মাদরাসায় ঘুমন্ত ছাত্রকে জবাই করে হত্যা, অভিযুক্ত আটক —
- আপডেট সময় : ১২:১১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় ঘুমন্ত অবস্থায় এক মাদরাসা ছাত্রকে জবাই করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত অপর এক ছাত্রকে আটক করেছে।
রোববার (২৬ অক্টোবর) গভীর রাতে উপজেলার সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাটরা আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মাখফুনুল উলুম মাদরাসায় এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।
নিহত ছাত্রের নাম মো. নাজিম উদ্দিন (১৩)। তিনি চাষীরহাট ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামের ওবায়েদ উল্ল্যাহর ছেলে। অপরদিকে, আটক অভিযুক্ত ছাত্র আবু ছায়েদ (১৬) ময়মনসিংহ জেলার টেঙ্গাপাড়া গ্রামের রুস্তম আলীর সন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই শিক্ষার্থীই আবাসিকভাবে ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করছিল। নাজিম ২২ পারা ও ছায়েদ ২৩ পারা পবিত্র কোরআন হেফজ সম্পন্ন করে। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে টুপি পরা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। শিক্ষকরা বিষয়টি মিটিয়ে দিলেও ছায়েদ ক্ষোভ ধরে রাখে।
রোববার রাতে মাদরাসার ১৪ জন ছাত্র ও একজন শিক্ষক আবাসিক কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আড়াইটার দিকে ছায়েদ ঘুম থেকে উঠে বাজার থেকে কেনা ধারালো ছুরি দিয়ে ঘুমন্ত নাজিমকে গলা কেটে হত্যা করে। নাজিমের গোঙানির শব্দে অন্য ছাত্র-শিক্ষকরা জেগে উঠে ঘটনাস্থলেই ভুক্তভোগীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।

খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ছাত্রকে আটক করে এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি জব্দ করে।
ওসি খোরশেদ আলম বলেন, “টুপি পরা নিয়ে পূর্বের বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আটক ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।”






















