চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ের নিচে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে আবেদন পাঁচ প্রতিষ্ঠানের, তবে প্রকল্প এখনও সিডিএ’র অধীনে
চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ের নিচে সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পে পাঁচ ঠিকাদারের আগ্রহ, সিডিএ’র অনুমতি ছাড়া কাজ নয়: মেয়র
- আপডেট সময় : ০২:০০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ৫০ বার পড়া হয়েছে

রাজু আহমেদ, বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
তারিখ: ২৭ অক্টোবর ২০২৫
চট্টগ্রাম নগরীর লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত নির্মাণাধীন শহীদ ওয়াসিম আকরাম এক্সপ্রেসওয়ের নিচের সড়কে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পাঁচ ঠিকাদার।
চসিক সূত্রে জানা যায়, মেসার্স চ্যাম্পিয়ন এন্টারপ্রাইজ, জেএম পাবলিসিটি, এফকে ক্লাসিকেল এডভার্টাইজিং, এস এন এডভার্টাইজিং এবং রেড অ্যান্ড ব্ল্যাক নামে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বিভিন্ন অংশ ভাগ করে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজের জন্য আবেদন করেছে।
তবে এখনো প্রকল্পটি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) অধীনে থাকায় চসিক কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন,
“সিডিএ থেকে এক্সপ্রেসওয়ে আমাদের বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে কোনো ধরনের কাজ করা হবে না। বুঝিয়ে দিলে তখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
চসিক সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়—
মেসার্স চ্যাম্পিয়ন এন্টারপ্রাইজ (প্রোপ্রাইটর মো. আবুল কালাম) আবেদন করেছে লালখান বাজার থেকে টাইগারপাস পর্যন্ত অংশের জন্য।
জেএম পাবলিসিটি (প্রোপ্রাইটর নিহার সুলতানা) আবেদন করেছে দেওয়ানহাট থেকে চৌমুহনী মোড় পর্যন্ত অংশের জন্য।
এফকে ক্লাসিকেল এডভার্টাইজিং (প্রোপ্রাইটর মো. ফজলুল করিম) চৌমুহনী মোড় থেকে বাদামতলী পর্যন্ত এবং বারিক বিল্ডিং থেকে নিমতলা পর্যন্ত অংশে কাজ চেয়েছে।
এস এন এডভার্টাইজিং (প্রোপ্রাইটর মো. হাসান) আগ্রাবাদ সোনালী ব্যাংক থেকে টিএন্ডটি ভবন পর্যন্ত এবং নিমতলা থেকে কাস্টম মোড় পর্যন্ত আবেদন করেছে।
রেড অ্যান্ড ব্ল্যাক (প্রোপ্রাইটর শারমিন আক্তার) আগ্রাবাদ টিএন্ডটি ভবন থেকে বারিক বিল্ডিং মোড় ও ইপিজেড সিমেন্স হোস্টেল থেকে সিমেন্ট ক্রসিং মোড় পর্যন্ত অংশে সৌন্দর্যবর্ধনের প্রস্তাব দিয়েছে।
এ বিষয়ে সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম বলেন,
“আমরা ইতোমধ্যে একটি বেসরকারি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। তারা এক্সপ্রেসওয়ের নিচে বাগান করবে এবং সচেতনামূলক বার্তা প্রচার করবে। তবে কোনো বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচারের অনুমতি দেওয়া হবে না।”
তিনি আরও বলেন,
“চসিকের বরাদ্দ প্রসঙ্গে আমরা অবগত নই। একই স্থানে দুটি সংস্থা একসাথে বরাদ্দ দিতে পারে না। প্রয়োজনে মেয়র সাহেবের সঙ্গে আলোচনা করব।”
এক্সপ্রেসওয়ের উপরের অংশে বিজ্ঞাপন দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,
“এই প্রকল্পে এখনো ৫০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ রয়েছে এবং রক্ষণাবেক্ষণে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। দুর্ঘটনার ঝুঁকি বিবেচনা করে আমরা এক্সপ্রেসওয়ের উপরে কোনো বিজ্ঞাপন বসাব না।”






















