বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবিতে একাত্ম নলছিটির শিক্ষক সমাজ
নলছিটিতে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য ও শিক্ষকদের উপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ০৮:৩৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
ঝালকাঠির নলছিটিতে শিক্ষাক্ষেত্রে চলমান বৈষম্য, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবির প্রতি সরকারের অবহেলা এবং শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় নলছিটি বাসস্ট্যান্ডে এ কর্মসূচির আয়োজন করে সম্মিলিত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী পরিবার, নলছিটি। ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজের শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা প্রদানসহ ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নলছিটি উপজেলা শিক্ষক ফোরামের সভাপতি ও নলছিটি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক বিনে আমিন।
সঞ্চালনায় ছিলেন খাওক্ষীর মেহেদিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক গোলাম সরোয়ার।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন
নলছিটি সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা বাহাউদ্দীন,
ভৈরবপাশা মাদ্রাসার সহকারী সুপার মাওলানা জাকির হোসেন,
গোলাম মস্তফা মহিলা কলেজের প্রভাষক দেলোয়ার হোসেন পান্নু,
দফদবিয়া কলেজের প্রভাষক শফিকুর রহমান,
কামদেবপুর মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মিজানুর রহমান,
আঃ আজিজ মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আমির হোসেন,
জুরকাঠি মাদ্রাসার সহকারী মৌলবি মাওলানা আবু তালেব,
নলছিটি সিনিয়র মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক রহিম মুন্সি এবং
ডেবরা মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান।
বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষকদের ওপর হামলার দায় সরকারকে নিতে হবে এবং এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে এবং প্রয়োজনে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষের পাঠদান স্থগিত থাকবে এবং ঢাকায় চলমান কেন্দ্রীয় আন্দোলনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান সকল শিক্ষককে।






















