দিদার আলম হত্যাকাণ্ডে পরকীয়ার জটিল সম্পর্ক ও পরিকল্পিত হত্যার চিত্র প্রকাশ
পিবিআই চট্টগ্রামের অভিযানে রাঙ্গামাটির চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন: গ্রেফতার ৩, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে আসামিরা
- আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫ ৯২ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি, রাজিব আহমেদ
রাঙ্গামাটি জেলার চন্দ্রঘোনা থানার পশ্চিম কোদালা গ্রামে কৃষক দিদার আলম হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম জেলা। এ ঘটনায় জড়িত ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তিনজনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম দিদার আলমের (২৮) স্ত্রী কহিনুর আক্তার (২৭) তার স্বামীর বন্ধু আব্দুল খালেক (৩০) এবং প্রতিবেশী মো. হামজা প্রঃ হানজালার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। স্বামী বিষয়টি জানতে পারায় ক্ষুব্ধ হয়ে কহিনুর তার প্রেমিকদের সঙ্গে মিলে দিদার আলমকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
২০২৫ সালের ৩০ জুন রাতে, কহিনুর ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দুধ খাইয়ে স্বামীকে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন করেন। পরে রাত ২টার দিকে তার নাক-মুখ বালিশ দিয়ে চেপে ধরে হত্যা করেন। এর পর হানজালা ও সহযোগী সেলিম মিলে দেহটি প্লাস্টিকে মুড়িয়ে পাশের কোদালা খালে ফেলে দেয়।
ঘটনার পর দিদার আলমের পিতা জামির হোসেন থানায় জিডি ও মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটি পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার তদন্তে আসে। পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মো. রুহুল আমিন মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামীদের অবস্থান শনাক্ত করে গাজীপুরের জয়দেবপুর এলাকা থেকে কহিনুর আক্তার ও খালেককে গ্রেফতার করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের পর আদালতে কহিনুর বিস্তারিত স্বীকারোক্তি দেন, যার ভিত্তিতে আরও দুই আসামী—হানজালা ও সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তারাও আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
এভাবে পিবিআই চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের নিরলস তদন্তে দিদার আলম হত্যাকাণ্ডের পুরো রহস্য উদ্ঘাটিত হয়। ভিকটিমের মৃতদেহ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






















