কুমিল্লায় শুরু হলো মাসব্যাপী জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন — ১৫ লাখেরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য
কুমিল্লায় জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন: ১৫ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য
- আপডেট সময় : ০৮:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫ ৫১ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা প্রতিনিধি:
সারাদেশে প্রথমবারের মতো একযোগে শুরু হয়েছে জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। এরই অংশ হিসেবে কুমিল্লাতেও রবিবার (১২ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় মাসব্যাপী এই কর্মসূচি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় কুমিল্লার আলেকজান মেমোরিয়েল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে, যেখানে সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম।
এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লা জেলায় মোট ১৫ লাখ ৮৬ হাজার ১৯ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় ১৩ লক্ষাধিক শিশু রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে।
সভাপতির বক্তব্যে সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির বলেন,
> “টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে ১ লাখ ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে প্রায় ১০ হাজার মৃত্যু ঘটে বাংলাদেশে। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাই এই জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি সময়োপযোগী ও জীবনরক্ষাকারী উদ্যোগ।”

তিনি আরও বলেন,
> “কুমিল্লায় রেজিস্ট্রেশনে অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া গেছে। সবাইকে নির্ধারিত সময়ে টিকা নিতে হবে এবং টিকা নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি বা গুজবে কান দেওয়া যাবে না।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রেজা মোহাম্মদ সারোয়ার আকবর, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডা. এ কে এম আব্দুস সেলিম, জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা নুরুল হক, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার শর্মা, আনসার ভিডিপির জেলা কমান্ড্যান্ট তরিকুল ইসলাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রতিনিধি সাঈদা আলম, এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পীযূষ কান্তি সরকার।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন,
> “দেশজুড়ে সর্বোচ্চ রেজিস্ট্রেশন কুমিল্লায় হয়েছে, যা একটি ইতিবাচক বার্তা। টিকা নিয়ে গুজব প্রতিরোধে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে এক ডোজ ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। এমনকি জন্মসনদ না থাকা শিশুরাও টিকার আওতায় আসবে, যাতে কোনো শিশু বাদ না পড়ে। এছাড়া রেজিস্ট্রেশন না থাকলেও টিকা কেন্দ্রে সরাসরি এসে টিকা নেওয়া যাবে।






















