চট্টগ্রাম ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail1.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা: সভাপতি আজিজুল, সম্পাদক কালিমুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল খান ভোলার মেঘনা নদীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক রাজশাহীতে মোটর শ্রমিকদের ওপর হামলা, গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে মানববন্ধন—দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে হরিরামপুর পাটগ্রামচরে চরবাসীর মানববন্ধন, নদীভাঙনে ফসল ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা রাজশাহীতে ক্ষতিপূরণ দাবি করায় ‘চাঁদাবাজ’ অপপ্রচারের অভিযোগ, হোটেল মালিকের সংবাদ সম্মেলন হরিরামপুরে পদ্মার ভয়াল ভাঙন: লিপি আক্তারের শেষ সম্বল ভিটা রক্ষায় জিওব্যাগ ফেলার দাবি আশাশুনির কুল্যার মোড়ে মাদক ও অনলাইন জুয়া বিরোধী মানববন্ধন, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি সিলেটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিএনপি নেতা ও আইনজীবী এডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিবের মৃত্যু নেছারাবাদে ইনস্টিটিউট মাধ্যমিক খালেক বিদ্যালয়ে ভবন সংকট: ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা টিআইএন থাকলেই দিতে হতে পারে কর, বাতিল হচ্ছে শূন্য রিটার্নের সুযোগ

চলমান ৬০ মিটার প্রতিরক্ষার বাইরে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে গৃহহীন হওয়ার শঙ্কা বহু পরিবারের

হরিরামপুরে পদ্মার ভয়াল ভাঙন: লিপি আক্তারের শেষ সম্বল ভিটা রক্ষায় জিওব্যাগ ফেলার দাবি

মোহাম্মদ আলী
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ | ১৫ মে ২০২৬ :
বর্ষা মৌসুম শুরু না হতেই পদ্মা নদী তীরবর্তী হরিরামপুর উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের মালচী–কুশিয়ারচর (কালিতলা) এলাকায় তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে বহু বসতভিটা, কৃষিজমি ও স্থানীয়দের জীবন-জীবিকা। এরই মধ্যে ভুক্তভোগী লিপি আক্তারের শেষ সম্বল ভিটামাটি এখন পদ্মার গ্রাসের অপেক্ষায়।

সরকারি উদ্যোগে কুশিয়ারচর (কালিতলা) পদ্মাপাড়ে প্রায় ৬০ মিটার অস্থায়ী পাক প্রতিরক্ষামূলক কাজ চলমান রয়েছে। তবে ভাঙনের বিস্তার ওই কাজের সীমার বাইরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়রা জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত জিওব্যাগ ফেলার দাবি জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী লিপি আক্তার বলেন, “আমি ইতোমধ্যে তিনবার নদীভাঙনের শিকার হয়েছি। বর্তমানে যে ভিটায় বসবাস করছি, সেটিই আমার শেষ আশ্রয়। চলমান কাজের বাইরে যদি দ্রুত জিওব্যাগ ফেলা হতো, তাহলে হয়তো আমার ভিটামাটি রক্ষা পেতো। আমি উপর মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

সরেজমিনে দেখা যায়, চলমান প্রতিরক্ষামূলক কাজের অদূরেই লিপি আক্তারের বসতভিটা। একইসঙ্গে আশপাশের বেশ কয়েকটি স্থানে তীব্র ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

কুশিয়ারচর এলাকার কলেজ শিক্ষার্থী শাকিল গাজী জানান, “পদ্মার ভাঙন প্রতিদিনই বাড়ছে। শুধু নির্দিষ্ট অংশে কাজ করলে হবে না, পুরো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত অস্থায়ী সুরক্ষা প্রয়োজন।”
কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খোরশেদ বলেন, “বর্ষার আগেই ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অস্থায়ী কাজের পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলা সময়ের দাবি।”

কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন (মুসা) স্থায়ী সমাধানের কথা তুলে ধরে বলেন, “শুধু জিওব্যাগ নয়, এই এলাকায় টেকসই বেরিবাঁধ নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।”

তিনি এ উদ্যোগের জন্য সরকার প্রধান ও স্থানীয় সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্তকে ধন্যবাদ জানান।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড মানিকগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আক্তারুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, “পদ্মাপাড়ের ভাঙন সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। বর্তমানে ৬০ মিটারের অস্থায়ী পাক প্রতিরক্ষামূলক কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত অতিরিক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে বর্ষার পানির চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বহু পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চলমান ৬০ মিটার প্রতিরক্ষার বাইরে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে গৃহহীন হওয়ার শঙ্কা বহু পরিবারের

হরিরামপুরে পদ্মার ভয়াল ভাঙন: লিপি আক্তারের শেষ সম্বল ভিটা রক্ষায় জিওব্যাগ ফেলার দাবি

আপডেট সময় : ০৮:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ | ১৫ মে ২০২৬ :
বর্ষা মৌসুম শুরু না হতেই পদ্মা নদী তীরবর্তী হরিরামপুর উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের মালচী–কুশিয়ারচর (কালিতলা) এলাকায় তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে বহু বসতভিটা, কৃষিজমি ও স্থানীয়দের জীবন-জীবিকা। এরই মধ্যে ভুক্তভোগী লিপি আক্তারের শেষ সম্বল ভিটামাটি এখন পদ্মার গ্রাসের অপেক্ষায়।

সরকারি উদ্যোগে কুশিয়ারচর (কালিতলা) পদ্মাপাড়ে প্রায় ৬০ মিটার অস্থায়ী পাক প্রতিরক্ষামূলক কাজ চলমান রয়েছে। তবে ভাঙনের বিস্তার ওই কাজের সীমার বাইরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়রা জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত জিওব্যাগ ফেলার দাবি জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী লিপি আক্তার বলেন, “আমি ইতোমধ্যে তিনবার নদীভাঙনের শিকার হয়েছি। বর্তমানে যে ভিটায় বসবাস করছি, সেটিই আমার শেষ আশ্রয়। চলমান কাজের বাইরে যদি দ্রুত জিওব্যাগ ফেলা হতো, তাহলে হয়তো আমার ভিটামাটি রক্ষা পেতো। আমি উপর মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

সরেজমিনে দেখা যায়, চলমান প্রতিরক্ষামূলক কাজের অদূরেই লিপি আক্তারের বসতভিটা। একইসঙ্গে আশপাশের বেশ কয়েকটি স্থানে তীব্র ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

কুশিয়ারচর এলাকার কলেজ শিক্ষার্থী শাকিল গাজী জানান, “পদ্মার ভাঙন প্রতিদিনই বাড়ছে। শুধু নির্দিষ্ট অংশে কাজ করলে হবে না, পুরো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত অস্থায়ী সুরক্ষা প্রয়োজন।”
কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খোরশেদ বলেন, “বর্ষার আগেই ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অস্থায়ী কাজের পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলা সময়ের দাবি।”

কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন (মুসা) স্থায়ী সমাধানের কথা তুলে ধরে বলেন, “শুধু জিওব্যাগ নয়, এই এলাকায় টেকসই বেরিবাঁধ নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।”

তিনি এ উদ্যোগের জন্য সরকার প্রধান ও স্থানীয় সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্তকে ধন্যবাদ জানান।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড মানিকগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আক্তারুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, “পদ্মাপাড়ের ভাঙন সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। বর্তমানে ৬০ মিটারের অস্থায়ী পাক প্রতিরক্ষামূলক কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত অতিরিক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে বর্ষার পানির চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বহু পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়বে।