বৈধ দলিল থাকা সত্ত্বেও জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগ, আদালতের হস্তক্ষেপের দাবি
বীরগঞ্জে ভূমিদস্যুদের হামলা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি
- আপডেট সময় : ০৮:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) | ৫ মে ২০২৬ : বৈধ দলিল ও রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও ভূমিদস্যুদের হামলা, জমি দখলের চেষ্টা এবং মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বীরগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বীরগঞ্জ উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের সনকা মৌজার ১৫০ দাগের ৮৯ শতাংশ জমির প্রকৃত মালিক ছিলেন মরহুম আফজাল হোসেন। তিনি ১৯৯৯ ও ২০০৪ সালে পৃথক দুটি দলিলের মাধ্যমে জমিটি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল ও চাষাবাদ করে আসছিলেন। পরবর্তীতে জমিটি তার ও তার স্ত্রী আছিয়া খাতুনের নামে খাজনা খারিজসহ সর্বশেষ জরিপে খতিয়ানভুক্ত হয়।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, ২০১৩ সালে জমিতে ইউক্যালিপটাস বাগান গড়ে তোলা হয়, যা বর্তমানে মূল্যবান সম্পদে পরিণত হয়েছে। ২০২৩ সালে আফজাল হোসেনের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী, এক কন্যা ও তিন পুত্র উত্তরাধিকারসূত্রে জমির মালিকানা লাভ করেন। এর মধ্যে দুই পুত্র প্রবাসে অবস্থান করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, একটি প্রভাবশালী চক্র ভুয়া কাগজপত্র ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিথ্যা মামলা দিয়ে ভুক্তভোগীদের হয়রানি করা হচ্ছে।
এছাড়া তারা দাবি করেন, অভিযুক্তরা জমিটিকে কবরস্থান হিসেবে দাবি করলেও সরকারি রেকর্ডে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। বরং এটি দখলের উদ্দেশ্যে করা একটি অপকৌশল।
ঘটনার বিবরণে আরও বলা হয়, গত ১৯ এপ্রিল বাগানের গাছ কাটা প্রতিহত করতে গেলে প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ ও ভাঙচুর করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তোলে এবং পরে উল্টো ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে দুইজনকে আটক করায়।
এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে গত ২৬ এপ্রিল রেজাউল ইসলাম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করে তদন্তের নির্দেশ দেন। পূর্বের মামলাগুলোর কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
প্রবাসী উত্তরাধিকারীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আঞ্জুয়ারা বেগম। তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।






















