টেকসই কৃষি উন্নয়নে গাকৃবিতে নতুন গবেষণার দিগন্ত উন্মোচন
গাকৃবিতে বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির অর্থায়নে গবেষণা প্রকল্প কর্মশালার উদ্বোধন
- আপডেট সময় : ০৭:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫ ৪৩ বার পড়া হয়েছে

শ্রীপুর, গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গাকৃবি) বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি (BAS) ও যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি দফতর (USDA)-এর যৌথ অর্থায়নে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রকল্পের কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভবিষ্যৎ কৃষি ও প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন লক্ষ্যে আয়োজিত এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন অডিটোরিয়ামে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাকৃবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির অ্যাসোসিয়েট সেক্রেটারি এবং ফেলো ড. মোঃ তোফাজ্জল ইসলাম।
উদ্বোধনী পর্বে অংশগ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন বিশেষজ্ঞ, যারা একইসাথে বিএএস-এর ফেলো হিসেবে যুক্ত আছেন। এ সময় গাকৃবির বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, অধ্যাপক, প্রকল্প প্রধান ও সহকারী গবেষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্বাগত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (গবেষণা) প্রফেসর ড. মোঃ মাহিদুল ইসলাম মাসুম কর্মশালার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এরপর অতিথিবৃন্দ গবেষণা প্রকল্পগুলোর লক্ষ্য, কর্মপদ্ধতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন,
> “আমাদের সময়ের কৃষি বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখে। জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা ও রোগবালাই মোকাবেলায় প্রয়োজন উদ্ভাবনী গবেষণা ও প্রযুক্তির প্রয়োগ। এই প্রকল্পগুলো কৃষির টেকসই উন্নয়নে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।”
কর্মশালার দ্বিতীয় পর্বে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন প্রথিতযশা গবেষক তাদের প্রকল্প উপস্থাপন করেন।
প্রফেসর ড. এম. এ. মান্নান: “ধান গাছে লবণাক্ততা সহ্য ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ন্যানোম্যাটেরিয়াল প্রয়োগ”
প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান: “চিংড়ির রোগ শনাক্তে RPA-ভিত্তিক কিট উন্নয়ন”
প্রফেসর ড. এম. নাজমুল হক: “গাভীর ওলানের প্রদাহ (ম্যাস্টাইটিস) প্রতিরোধে ভেষজ ও প্রোবায়োটিক ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা”
প্রত্যেক উপস্থাপনার পর উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থিত শিক্ষক ও গবেষকরা গঠনমূলক মতামত প্রদান করেন, যা ভবিষ্যৎ বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।






















