লোডশেডিং ও গ্যাস সংকটে ক্যাপটিভ পাওয়ার নির্ভর শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত
বাংলাদেশে লোডশেডিং ও গ্যাস সংকটে গার্মেন্ট খাতে বড় ধস
- আপডেট সময় : ০৮:২৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ ডলার সংকটের কারণে দেশের জ্বালানি খাত নাজুক অবস্থায় পৌঁছেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে, যেখানে উৎপাদন সক্ষমতা ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) জানায়, প্রতিদিন গড়ে ২–৩ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কারণে কারখানাগুলো নিয়মিত উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প হিসেবে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্যাস সরবরাহের ঘাটতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি দেশের শিল্প উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও চাপের মুখে ফেলেছে। ক্যাপটিভ পাওয়ার ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল কারখানাগুলো এখন জ্বালানি সংকটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক আলোচনায় বলা হয়, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে শুধু পোশাক খাতই নয়, সিমেন্টসহ অন্যান্য শিল্পেও উৎপাদন ব্যয় ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, প্রধান বাজারগুলোতে রফতানি প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ায় সামগ্রিক রফতানি আয় নেতিবাচক প্রবণতায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ায় চাপ আরও বেড়েছে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, জ্বালানি সংকট দ্রুত সমাধান না হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রফতানি খাত দীর্ঘমেয়াদে বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।






















