চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সফল অভিযান — বিদেশি অস্ত্র, মাদক ও নগদ টাকাসহ তিন আসামী আটক, পলাতকদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত
চট্টগ্রামে যৌথ অভিযানে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকসহ তিন আসামী গ্রেফতার — পালাল আরও ২৪ জন
- আপডেট সময় : ০৭:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫ ৯০ বার পড়া হয়েছে

রাজু আহমেদ, বিশেষ প্রতিনিধি (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ, মাদকসহ তিনজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুর থেকে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ভোর পর্যন্ত সিএমপি’র সোয়াত টিমের সহায়তায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) জনাব আমিরুল ইসলাম এর তত্ত্বাবধানে ও সার্বিক দিক-নির্দেশনায় পুলিশ সদস্যরা চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ ও বাকলিয়া থানা এলাকায় একাধিক স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করে।
অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হলেন —
১. মোঃ বেলাল (২৮),
২. হৃদয় বড়ুয়া (৩০) এবং
৩. মোঃ আজাদ (২৩)।

তাদের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় মোট ১৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, যার মধ্যে রয়েছে ৫টি বিদেশি পিস্তল, ১টি একনলা ছোট বন্দুক, ২টি একনলা লম্বা বন্দুক, ২টি দেশীয় পাইপগান, ১টি শর্ট শুটার গান ও ২টি দেশীয় লম্বা বন্দুক।
এছাড়া তাজা কার্তুজ ৫৮টি, পিস্তল বুলেট ৯৫টি, ম্যাগাজিন ১৩টি, পটকা ৯টি, নগদ টাকা ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা, ইয়াবা ৩,৫০০ পিস, গাঁজা ৫ কেজি ৫০০ গ্রাম, ওয়াকিটকি ২টি, ড্রোন ১টি, সিসি ক্যামেরা ৭টি এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মূল আসামী শহিদুল ইসলাম ওরফে বুইশ্যা এবং আইয়ুব আলীসহ ২৪ জন সহযোগী পালিয়ে যায়। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সিএমপির বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ আজাদ এর বিরুদ্ধেও পাঁচলাইশ থানায় অস্ত্র ও দস্যুতার দুটি মামলা রয়েছে।
পলাতক আসামী শহিদুল ইসলাম ও আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে রয়েছে যথাক্রমে ১৯ ও ১৮টি মামলা। অন্যদিকে ইদ্রিসের বিরুদ্ধে ৯টি, ইয়াছিনের বিরুদ্ধে ৫টি এবং শিবুর বিরুদ্ধে ৪টি মামলা রয়েছে।
ঘটনার পর চান্দগাঁও থানায় দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে —
১. মামলা নং-১৩, Arms Act 1878 এর 19(a)(f)/19A ধারায়।
২. মামলা নং-১৪, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(খ)/১৯(খ)/৪১ ধারায়।

গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন চান্দগাঁও থানার ওসি।






















