ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পে প্রশিক্ষিত ২১৩ যুবক-যুবতী, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অগ্রগতি
ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লি. ঝালকাঠি ব্রাঞ্চ পরিদর্শন করলেন বিআম ফাউন্ডেশনের পরিচালক, প্রশিক্ষণার্থীদের দক্ষতা মূল্যায়ন
- আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে

মোঃ সৌরব | ঝালকাঠি বিশেষ প্রতিনিধিঃ
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “দেশের ৪৮ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ঝালকাঠি ব্রাঞ্চে চলমান প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন ও সাবেক প্রশিক্ষণার্থীদের মূল্যায়ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআম) ফাউন্ডেশনের পরিচালক (প্রশাসন) জনাব জালাল উদ্দীন।
পরিদর্শনকালে তিনি ঝালকাঠি ব্রাঞ্চের ১ম থেকে ৪র্থ ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের অর্জিত ফ্রিল্যান্সিং দক্ষতা সরেজমিনে যাচাই করেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রকল্পের আওতায় এ ব্রাঞ্চে মোট ২১৩ জন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে ১৩৪ জন পুরুষ এবং ৭৯ জন নারী। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ইতোমধ্যে অনলাইন ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে আত্মকর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঝালকাঠির উপপরিচালক জনাব মোঃ আলাউদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব কিশোর চন্দ্র বালা, কো-অর্ডিনেটর মোঃ রাশেদ, প্রশিক্ষক শুভ মণ্ডল, মোঃ ইমাম হোসেন, মোঃ মাহবুব আলমসহ অন্যান্য সহকারী প্রশিক্ষকবৃন্দ।
প্রধান অতিথি জনাব জালাল উদ্দীন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “কারিগরি ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে যুবসমাজ বেকারত্ব দূর করে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারছে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম যুবকদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলছে।”
তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণ কোর্সের সিলেবাস, শিক্ষার গুণগত মান, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ বিষয়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষক ও কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সরকারি সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত থাকলে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে। এর ফলে দেশের বেকার যুবসমাজ দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়ে দীর্ঘমেয়াদে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।






















