১১ দলীয় জোটের অভিযোগ: নির্বাচনী পরিবেশ বাধাগ্রস্ত, প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
সালথায় ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন: রিকশা মার্কায় ভোট চাওয়ায় কওমী শিক্ষক চাকরিচ্যুতের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৮:১৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

মোঃ ইলিয়াছ খান |
সালথা উপজেলা প্রতিনিধি ফরিদপুরঃ
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে রিকশা মার্কায় ভোট চাওয়ার অভিযোগে এক কওমী মাদ্রাসা শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে সালথা উপজেলা খেলাফত মজলিসের কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শিক্ষক হাফেজ মোঃ মোক্তার হোসেন (৫০) অভিযোগ করে বলেন, তিনি সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফদিয়া রহমানিয়া তালতলা মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।তিনি নগরকান্দা উপজেলার ঈশ্বরদী গ্রামের বাসিন্দা।
তিনি আরও বলেন, মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা হেদায়েতুল্লাহর ভাই কাইয়ুম মোল্যা ও স্থানীয় উজ্জ্বল মাতুব্বর তাকে ক্লাসরুম থেকে ডেকে নিয়ে প্রথমে প্রশংসা করেন। পরে রিকশা মার্কায় ভোট চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করতেই তাকে গালাগালি ও হুমকি দেওয়া হয়।
একপর্যায়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তার বকেয়া বেতন পরিশোধ করে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে সালথা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, ফরিদপুর-২ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী আল্লামা শাহ আকরাম আলী হুজুরের পক্ষে ভোট চাওয়ায় একজন কর্মীকে হুমকি দিয়ে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সালথা ও নগরকান্দা উপজেলায় সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নেই। বিরোধী পক্ষের হুমকি ও চাপের বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে, মাদ্রাসার মুহতামিমের ভাই কাইয়ুম মোল্যা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন। তিনি ক্লাস চলাকালে ছাত্রদের দিয়ে রিকশা মার্কায় ভোট চাওয়াতে চাপ সৃষ্টি করছিলেন, যা মাদ্রাসার পরিবেশ নষ্ট করছিল। এ কারণেই তাকে সতর্ক করা হয়।
এ বিষয়ে সালথা উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।






















