বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষে শিবচরে ব্যতিক্রমী সম্প্রীতির আয়োজন; একসঙ্গে খেলা দেখা ও মহিষ ভোজে অংশ নিতে সব দলের সমর্থকদের আহ্বান।
বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে শিবচরে স্পেন সমর্থকদের মহিষ ভোজ, সব দলের সমর্থকদের উন্মুক্ত আমন্ত্রণ
- আপডেট সময় : ০৮:৩৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালকে ঘিরে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার মুন্সি কাদিরপুর ইউনিয়নে ব্যতিক্রমী এক সম্প্রীতির আয়োজন করেছেন স্পেন জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থকরা। স্পেনপ্রবাসীদের আর্থিক সহযোগিতা এবং স্থানীয় সমাজসেবক ও স্পেন সমর্থক আব্দুল গফফার মুন্সী সোহাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহিষ ভোজ, যেখানে স্পেন, আর্জেন্টিনা ও অন্যান্য দলের সমর্থকসহ এলাকার সর্বস্তরের মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, এই আয়োজন কোনো নির্দিষ্ট দলের সমর্থকদের জন্য নয়; বরং বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেন্দ্র করে খেলার আনন্দ, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করাই এর মূল লক্ষ্য। ফাইনাল ম্যাচ সবাই একসঙ্গে উপভোগ করবেন এবং পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রেখে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করবেন।
স্থানীয় স্পেন সমর্থকরা জানান, ফুটবলকে কেন্দ্র করে বিভক্তির পরিবর্তে ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা আয়োজক আব্দুল গফফার মুন্সী সোহাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ভবিষ্যতেও আরও বড় পরিসরে এমন আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তারা বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের জয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।
অন্যদিকে, স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থকরাও এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের ভাষ্য, ফুটবল আনন্দ ও বিনোদনের খেলা। সমর্থন ভিন্ন হলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্ব অটুট থাকা উচিত। তাই সবাই নিজ নিজ দলের সমর্থক হয়েও একই আয়োজনে অংশ নিয়ে ফাইনাল উপভোগ করবেন।
আয়োজক আব্দুল গফফার মুন্সী সোহাগ বলেন, “ফুটবল মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করে। তাই আমরা সব দলের সমর্থকদের একই আয়োজনে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য, খেলার আনন্দ সবাই মিলে ভাগাভাগি করা।”
তিনি আরও বলেন, “ফাইনালে স্পেন জয়ী হলে সেই আনন্দ আমরা মানবতা ও ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি সংহতির বার্তা হিসেবে উদযাপন করতে চাই।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, খেলাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সম্প্রীতির উদ্যোগ সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে এবং ক্রীড়া সংস্কৃতির ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।























