কেডিসি কলোনিতে অভিযানে ৫ পিস ইয়াবা ও ৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা
কচুয়ার ৯নং কড়ইয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাংবাদিক আতাউল করিম
- আপডেট সময় : ০৭:৩২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

চাঁদপুর,কচুয়া | ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,বুধবারঃ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৯নং কড়ইয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাংবাদিক মো. আতাউল করিম। স্থানীয় পর্যায়ে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইনভিত্তিক প্রচার-প্রচারণা দেখা যাচ্ছে।
সরকারি তথ্য বাতায়ন অনুযায়ী, কড়ইয়া কচুয়া উপজেলার ৯নং ইউনিয়ন পরিষদ। ইউনিয়নটির বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের তথ্যও সরকারি ইউনিয়ন পোর্টালে প্রকাশিত রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে পরিচিত সাংবাদিক আতাউল করিম দীর্ঘদিন ধরে কচুয়ায় সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। সরকারি কচুয়া উপজেলা তথ্য বাতায়নের জরুরি যোগাযোগের তালিকাতেও তার নাম সাংবাদিক হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাকে কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে আতাউল করিমের বক্তব্য, তিনি নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের মানুষের সেবাকে অগ্রাধিকার দিতে চান। তার ভাষ্য, সরকারি বিভিন্ন সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জনগণের কাছে সরকারি বরাদ্দের তথ্য তুলে ধরার বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দেবেন।
তিনি বলেন, “আমি ৯নং কড়ইয়া ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সেবা করতে চাই। সরকারি রিলিফের চাল কত টন আসে, কোথায় যায়, কার কাছে যায়—সবকিছু আমি চেয়ারম্যান হলে সংবাদের মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরবো। কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে না ইনশাআল্লাহ।”
আতাউল করিমের সম্ভাব্য নির্বাচনী ভাবনায় শিক্ষা, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ইউনিয়নের উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন দুর্যোগের সময়ে মানুষের পাশে থাকার অভিজ্ঞতাকেও তিনি জনসেবার ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে চান বলে জানিয়েছেন।
এর আগে ২০২৬ সালের মার্চে প্রকাশিত একটি স্থানীয় প্রতিবেদনে কড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আতাউল করিমের প্রার্থী হওয়ার আগ্রহের কথা উল্লেখ করা হয়। ওই প্রতিবেদনে তার গণসংযোগ এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ের কথাও উঠে আসে।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও আতাউল করিমের সম্পৃক্ততা রয়েছে। বিভিন্ন স্থানীয় প্রতিবেদনে তাকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কড়ইয়া ইউনিয়ন বিএনপির একটি কর্মী সম্মেলনের সংবাদেও কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিমের উপস্থিতির কথা উল্লেখ রয়েছে।
এলাকায় তার সমর্থকদের দাবি, সাংবাদিক হিসেবে মানুষের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়। তাদের প্রত্যাশা, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তিনি ইউনিয়নের শিক্ষা, যোগাযোগ, সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
তবে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার প্রার্থিতা চূড়ান্ত হয়েছে কি না, কিংবা দলীয়ভাবে কোনো মনোনয়ন পেয়েছেন কি না—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তাকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালার তথ্য প্রকাশিত রয়েছে।
সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক-সামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ৯নং কড়ইয়া ইউনিয়নকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আতাউল করিম। এখন নির্বাচনের তফসিল, মনোনয়ন ও দলীয় সিদ্ধান্তের পর তার প্রার্থিতা কোন পর্যায়ে যায়, সেদিকেই তাকিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও ভোটাররা।






















