ইসলামপুরের বটতলী ট্রান্সপোর্ট মাঠ ও ছেনোয়ারা প্লাজা হোটেলে পৃথক অভিযান; উদ্ধার ইয়াবা সেবনের ৩০টি ফ্লুয়েল পেপার, ১৩টি প্লাস্টিক পাইপ ও ১৪টি গ্যাস লাইটার
ঈদগাঁওয়ে পুলিশের অভিযান: ১২ মাদকসেবী আটক, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার
- আপডেট সময় : ০৩:৫৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

ঈদগাঁও, কক্সবাজার | ২৪ আগস্ট ২০২৬ :
কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানা এলাকায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিরা মাদক সেবনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং কয়েকজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা সেবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম, গ্যাস লাইটার ও একটি ভাঙা ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৩ আগস্ট ২০২৬ রাতে ঈদগাঁও থানার এসআই (নিঃ) মো. আজিমুল হক পিপিএমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের সময় রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ইসলামপুর ইউনিয়নের বটতলী ট্রান্সপোর্ট মাঠের পশ্চিম পাশ থেকে মাদক সেবনের প্রস্তুতিকালে তিনজনকে আটক করা হয়।
এরপর রাত আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে বটতলী বাজারসংলগ্ন ছেনোয়ারা প্লাজা হোটেলের নিচতলার ৩ ও ৪ নম্বর কক্ষ থেকে চক্রাকারে বসে মাদক সেবনরত অবস্থায় আরও নয়জনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—সোনা মিয়া (৫৫), মো. রাসেল (৩০), আব্দু শুক্কুর (৩৯), মো. হেলাল (১৯), মো. সোহেল (২২), সাইফুল ইসলাম (৩০), নুরুল আলম (২২), মো. ফয়সাল (২৭), মাহিউল ইসলাম (২০), মো. আব্দুল কাইয়ুম (২৩), মো. কায়সার (২০) ও মো. করিম (২৫)। তারা ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ও ইসলামাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের জব্দ তালিকা অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি ভাঙা ছুরি, ১৪টি লাল রঙের বোতলের ছিপি, ৩০টি ইয়াবা সেবনের ফ্লুয়েল পেপার, ১৩টি প্লাস্টিক পাইপ, একটি চেকের গামছা এবং ১৪টি গ্যাস লাইটার উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৭ ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক সেবন, মাদক কারবার কিংবা মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের মতে, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হলে মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।























