মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, দুদকের তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাংবাদিকদের কর্মসূচি
গোপালগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন, শেখ তুহিনের সম্পদের দুদক তদন্ত ও গ্রেফতারের দাবি
- আপডেট সময় : ০৩:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা। একই সঙ্গে শেখ তুহিনের সম্পদের উৎস ও আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁকে গ্রেফতারের দাবিও জানানো হয়।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় প্রেসক্লাব-গোপালগঞ্জের উদ্যোগে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে জেলার প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের প্রবণতা গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ। তারা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, শেখ তুহিনের সম্পদের উৎস, আয়-ব্যয়ের হিসাব ও আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে দুদকের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। তদন্তে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাঁকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব-গোপালগঞ্জের সভাপতি জুবায়ের হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সময় টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি জয়ন্ত শের আলী।
এ সময় বক্তব্য দেন আমার দেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি জুয়েল, সিনিয়র সাংবাদিক ফরিদুল ইসলাম, বৈশাখী টেলিভিশনের মোস্তফা জামান, মাই টিভির আরিফুল ইসলাম এবং প্রেসক্লাব-গোপালগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক প্রিয় দেশ প্রতিদিন-এর জেলা প্রতিনিধি শরিফুল ইসলামসহ অন্যান্য সাংবাদিক নেতারা।
বক্তারা বলেন, ভয়ভীতি, হয়রানি কিংবা মিথ্যা মামলার মাধ্যমে সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশের পথ রুদ্ধ করা যাবে না। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
মানববন্ধনের শেষ পর্যায়ে সাংবাদিক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, উত্থাপিত দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিক সমাজ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।
(দ্রষ্টব্য: শেখ তুহিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য ও দাবির ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি।)




















