শালকোনা সীমান্তে আকস্মিক বজ্রপাতের ঘটনায় গুরুতর আহত সিপাহি শফিউল আলম; উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সিএমএইচে স্থানান্তর
শার্শা সীমান্তে টহলরত অবস্থায় বজ্রপাতে আহত বিজিবি সদস্য, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক
- আপডেট সময় : ০৮:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ৭১ বার পড়া হয়েছে

যশোর, শার্শা | ২৫ জুন ২০২৬ : যশোরের শার্শা উপজেলার শালকোনা সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহলরত অবস্থায় বজ্রপাতে আহত হয়েছেন ৪৯ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সদস্য সিপাহি শফিউল আলম। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে আকস্মিক বজ্রপাতের ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হলে সহকর্মীরা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত দায়িত্ব পালনকালে হঠাৎ বৈরী আবহাওয়া ও বজ্রপাতের শিকার হন সিপাহি শফিউল আলম। ঘটনাস্থল থেকে তাকে প্রথমে নাভারণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এ স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি দ্রুত নাভারণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন। তিনি আহত সদস্যের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিজিবির অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে যশোর সিএমএইচে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি বলেন, “আমাদের একজন সদস্য দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। তার সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিকভাবে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যশোর সিএমএইচে পাঠানো হয়েছে। আমরা তার চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর রাখছি এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিকেলের দিকে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। এ সময় সীমান্ত এলাকায় টহলরত বিজিবি সদস্যদের ওপর বজ্রপাত হলে সিপাহি শফিউল আলম গুরুতর আহত হন। সহকর্মীদের দ্রুত তৎপরতার কারণে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়।
ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যদের জন্য আবহাওয়াজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্কতা আরও জোরদার করা হয়েছে। আহত বিজিবি সদস্যের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন সহকর্মী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা।























