ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ
কিশোরগঞ্জে বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থী বহিষ্কার
- আপডেট সময় : ০৯:১৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে

এ.এস.এম হামিদ হাসান | কটিয়াদী,কিশোরগঞ্জঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় কিশোরগঞ্জে বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
বুধবার (২১ ডিসেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দলের চূড়ান্ত এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,বহিষ্কৃত নেতাদের দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।
বহিষ্কৃত দুই বিদ্রোহী প্রার্থী হলেন— কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নু। তিনি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য।
অপরজন কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল,যিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি।
কিশোরগঞ্জ-১ আসনের বিদ্রোহী প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম খান চুন্নু ২০০৬ সালে ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে চাকরি ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। ২০০৭ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন লাভ করেন।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামকে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ভোটের মাঠে এখনো সক্রিয় রয়েছেন। তিনি ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেও পরবর্তীতে প্রার্থী পরিবর্তনের কারণে মনোনয়ন হারান। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হন।
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হলেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনে বিএনপি কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে সৈয়দ এহসানুল হুদাকে ধানের শীষের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে।
এর পরই দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগে শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে বহিষ্কার করা হয়।























