ওসমান হাদীর ওপর হামলার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের স্লোগানে পুরো এলাকা মুখর
ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ: ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
- আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

জবি প্রতিনিধি:
ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক থেকে প্রতিবাদী মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি তাতীবাজার মোড় প্রদক্ষিণ করে বিশ্বজিৎ চত্বরে এসে সমবেত হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা ওসমান হাদীর ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
সমাবেশ থেকে শিক্ষার্থীরা ‘জালো রে জালো আগুন জালো’, ‘হাদির ওপর হামলা কেনো—প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীর আস্তানা ভেঙে দাও’, ‘আমার ভাই হাসপাতালে—ইন্টেরিম কী করে?’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
পদার্থবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, “ওসমান হাদীর ওপর হামলা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত। পাঁচ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর এ ধরনের গুপ্ত হামলা বেড়েই চলছে। আমরা ইন্টেরিম সরকারের কাছে দ্রুত এ ঘটনার বিচার দাবি করছি।”
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইভান তাহসিব বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের পর দিনের বেলায় একজন রাজনৈতিক কর্মীকে গুলি করা অস্বাভাবিক ও উদ্বেগজনক। ইন্টেরিম সরকারের প্রতিশ্রুত সংস্কার বাস্তবায়িত না হওয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।”
পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার অওরিন বলেন, “চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের পর আমরা স্বাধীনভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখেছিলাম। দিনদুপুরে এমন নৃশংস হামলা সত্যিই আতঙ্কজনক। দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানাই।”
ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ফেরদৌস শেখ বলেন, “আমরা বারবার রক্ত দিয়েছি এই দেশকে বাঁচাতে। তবুও কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বারবার সেই আকাঙ্ক্ষাকে বিনষ্ট করছে।”
ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, “ওসমান হাদীর ওপর অতর্কিত এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। হামলাকারীদের দ্রুত বিচার করতে হবে।”
আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “এটি পূর্বপরিকল্পিত হামলা। এর দায় ইন্টেরিম সরকারকে নিতে হবে। দ্রুত বিচারের পাশাপাশি ভবিষ্যতের সন্ত্রাস দমনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।”
উল্লেখ্য, শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ হন। তিনি বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।























