বাতাপুকুরিয়া গ্রামে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ; ভাঙনের আশঙ্কায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা
কচুয়ার বিতারায় অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলন, হুমকিতে তিন কৃষকের ফসলি জমি
- আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

কচুয়া, চাঁদপুর | ২৫ আগস্ট ২০২৬ : চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৩নং বিতারা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাতাপুকুরিয়া গ্রামে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলনের কারণে স্থানীয় তিন কৃষকের ফসলি জমি ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাতাপুকুরিয়া গ্রামের পূর্ব পাশে মো. ইউনুছ মোল্লা, মো. রুহুল আমিন মোল্লা ও মো. হারুন মোল্লার জমির পাশ থেকে সাজির পার গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা মো. হোসেন মিয়ার ছেলে মো. মান্নান মিয়া ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে আসছেন।
ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে তাদের ফসলি জমির পাশের মাটি ধসে পড়ছে। এতে জমিগুলো ধীরে ধীরে ভাঙনের কবলে পড়ছে এবং বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি ও অতিরিক্ত স্রোতের কারণে ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া ড্রেজার মেশিন ব্যবহারের কারণে এলাকায় শব্দ ও ধুলাদূষণ হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে পরিবেশের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা জানান।
ভুক্তভোগী তিন কৃষক অবিলম্বে অবৈধ ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন বন্ধ এবং তাদের ফসলি জমি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তাদের দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভাঙনের কারণে তাদের মূল্যবান কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে তারা আর্থিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যথাযথ অনুমতি ছাড়া এভাবে বালু উত্তোলনের ফলে পরিবেশের ক্ষতির পাশাপাশি সরকারও সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. মান্নান মিয়ার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



















