চট্টগ্রাম ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
কালিয়াকৈরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে ঝটিকা মিছিল, খাত্তাব মোল্লাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা কালিয়াকৈরে কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ পথচারী-শিক্ষার্থীরা,বাড়ছে জলাতঙ্কের শঙ্কা নান্দাইলে চন্ডিপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত রাণীশংকৈলে তীর্ণই নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু রংপুরে লাইসেন্স ছাড়া বেকারি পণ্য উৎপাদন, আল মদিনা লাইভ বেকারিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা কচুয়ার ৯নং কড়ইয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাংবাদিক আতাউল করিম হাতীবান্ধায় নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুত: দুই ব্যবসায়ীকে ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা নান্দাইলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি

সরবরাহ বন্ধ থাকায় খালি সিলিন্ডার নিয়ে ফিরছেন ক্রেতারা, অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ

রমজানের শুরুতেই আমতলীতে এলপিজি গ্যাস সংকট: ৭টি কোম্পানির সরবরাহ বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে ভোক্তারা

মাইনুল ইসলাম রাজু
  • আপডেট সময় : ০২:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাইনুল ইসলাম রাজু |
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলী উপজেলায় রমজানের শুরুতেই এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলার ৯টি কোম্পানির গ্যাস বাজারে বিক্রি হলেও গত এক সপ্তাহ ধরে ৭টি কোম্পানির গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আমতলীতে চারজন ডিলারের মাধ্যমে দুবাই বাংলা, বিএম, সেনা, ওরিয়ন, আই গ্যাস, বসুন্ধরা, টোটাল, যমুনা ও ওমেরা—এই ৯টি কোম্পানির এলপিজি গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

এর মধ্যে দুবাই বাংলা, বিএম, সেনা, যমুনা, বসুন্ধরা ও টোটালসহ মোট ৭টি কোম্পানির গ্যাস সরবরাহ ৭ থেকে ১০ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে ১৫ কেজির টোটাল গ্যাসের সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ বলে জানা গেছে।

রবিবার সকালে আমতলী শহরের নতুন বাঁধ ঘাট, কনু মিয়া, কবির, মহিউদ্দিন ও সোহরাবসহ একাধিক খুচরা দোকান ঘুরে দেখা যায়, দোকানের সামনে খালি সিলিন্ডারের স্তূপ পড়ে আছে। অনেক ক্রেতা এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরেও কাঙ্ক্ষিত গ্যাস না পেয়ে খালি সিলিন্ডার নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।

পল্লবী এলাকার গৃহবধূ আয়সা বেগম বলেন, “আমি টোটাল ১৫ কেজির সিলিন্ডার ব্যবহার করি। রিকশা ভাড়া দিয়ে শহরের বিভিন্ন দোকান ঘুরেছি, কিন্তু কোথাও গ্যাস পাইনি। রমজানের মধ্যে কীভাবে রান্না করব বুঝতে পারছি না।”
পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মেহেদি হাসান জানান, “আমি বিএম গ্যাস ব্যবহার করি। শনিবার বাজারে এসে জানতে পারি, কয়েকদিন ধরে সরবরাহ বন্ধ। শহরে বিকল্প জ্বালানি না থাকায় রান্না বন্ধ হয়ে গেছে।”

ডিলার মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, “দুবাই বাংলা প্রায় দুই মাস এবং ওমেরা সাত দিন ধরে সরবরাহ বন্ধ। আমরা পাইকারি দিতে পারছি না।” যমুনার ডিলার মো. মহিউদ্দিন বলেন, “চাহিদা থাকলেও সাত দিন ধরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় বাজারে দিতে পারছি না।”

খুচরা বিক্রেতা মো. কনু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “ডিলাররা আমাদের কাছে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করেন। মেমো চাইলে দেন না। বাধ্য হয়ে আমরাও বেশি দামে বিক্রি করি।”

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, “কোম্পানির সরবরাহ তাদের নিজস্ব বিষয়। তবে কেউ সুযোগ নিয়ে বেশি দাম নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রমজানের শুরুতেই এমন গ্যাস সংকটে আমতলীর হাজারো পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সরবরাহ বন্ধ থাকায় খালি সিলিন্ডার নিয়ে ফিরছেন ক্রেতারা, অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ

রমজানের শুরুতেই আমতলীতে এলপিজি গ্যাস সংকট: ৭টি কোম্পানির সরবরাহ বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে ভোক্তারা

আপডেট সময় : ০২:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাইনুল ইসলাম রাজু |
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলী উপজেলায় রমজানের শুরুতেই এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলার ৯টি কোম্পানির গ্যাস বাজারে বিক্রি হলেও গত এক সপ্তাহ ধরে ৭টি কোম্পানির গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আমতলীতে চারজন ডিলারের মাধ্যমে দুবাই বাংলা, বিএম, সেনা, ওরিয়ন, আই গ্যাস, বসুন্ধরা, টোটাল, যমুনা ও ওমেরা—এই ৯টি কোম্পানির এলপিজি গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

এর মধ্যে দুবাই বাংলা, বিএম, সেনা, যমুনা, বসুন্ধরা ও টোটালসহ মোট ৭টি কোম্পানির গ্যাস সরবরাহ ৭ থেকে ১০ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে ১৫ কেজির টোটাল গ্যাসের সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ বলে জানা গেছে।

রবিবার সকালে আমতলী শহরের নতুন বাঁধ ঘাট, কনু মিয়া, কবির, মহিউদ্দিন ও সোহরাবসহ একাধিক খুচরা দোকান ঘুরে দেখা যায়, দোকানের সামনে খালি সিলিন্ডারের স্তূপ পড়ে আছে। অনেক ক্রেতা এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরেও কাঙ্ক্ষিত গ্যাস না পেয়ে খালি সিলিন্ডার নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।

পল্লবী এলাকার গৃহবধূ আয়সা বেগম বলেন, “আমি টোটাল ১৫ কেজির সিলিন্ডার ব্যবহার করি। রিকশা ভাড়া দিয়ে শহরের বিভিন্ন দোকান ঘুরেছি, কিন্তু কোথাও গ্যাস পাইনি। রমজানের মধ্যে কীভাবে রান্না করব বুঝতে পারছি না।”
পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মেহেদি হাসান জানান, “আমি বিএম গ্যাস ব্যবহার করি। শনিবার বাজারে এসে জানতে পারি, কয়েকদিন ধরে সরবরাহ বন্ধ। শহরে বিকল্প জ্বালানি না থাকায় রান্না বন্ধ হয়ে গেছে।”

ডিলার মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, “দুবাই বাংলা প্রায় দুই মাস এবং ওমেরা সাত দিন ধরে সরবরাহ বন্ধ। আমরা পাইকারি দিতে পারছি না।” যমুনার ডিলার মো. মহিউদ্দিন বলেন, “চাহিদা থাকলেও সাত দিন ধরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় বাজারে দিতে পারছি না।”

খুচরা বিক্রেতা মো. কনু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “ডিলাররা আমাদের কাছে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করেন। মেমো চাইলে দেন না। বাধ্য হয়ে আমরাও বেশি দামে বিক্রি করি।”

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, “কোম্পানির সরবরাহ তাদের নিজস্ব বিষয়। তবে কেউ সুযোগ নিয়ে বেশি দাম নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রমজানের শুরুতেই এমন গ্যাস সংকটে আমতলীর হাজারো পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।